📌 খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনি নিয়ে আসা দেড় মাস বয়সী শিশুকে যথাযথ চিকিৎসা না দেওয়ায় মৃত্যুবরণ করে। কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে এবং ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবহেলার অভিযোগে শিশুমৃত্যুর ঘটনা উঠে এসেছে। দেড় মাস বয়সী এক শিশুকে যথাযথ প্রাথমিক চিকিৎসা না দেওয়ায় তার মৃত্যু হয়। অভিযোগে দায়িত্বস্থল ত্যাগ করা উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ অক্টোবর খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনি নিয়ে আসা দেড় মাস বয়সী শিশুকে যথাযথ চিকিৎসা না দেওয়ায় মৃত্যুবরণ করে।
- 📌 দায়িত্বে থাকা উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন শিশুটিকে নেবুলাইজেশন করার পরামর্শ দিলেও তার শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করেননি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন চিকিৎসককে জানাননি।
- 📌 শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তামান্না খাতুন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
- 📌 উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম অভিযোগের চিঠি লিখে সিভিল সার্জনকে পাঠান।
- 📌 অভিযুক্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি শিশুটিকে নিয়ে আসা সময় চিকিৎসা পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং দায়িত্ব ত্যাগ করেননি।
- 📌 খুলনার সিভিল সার্জন ডা. মনিরুজ্জামান ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিঠি পেয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
গত ২২ অক্টোবর সকালে শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনি নিয়ে শিশুটিকে খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। দায়িত্বে থাকা উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন শিশুটিকে নেবুলাইজেশন করার পরামর্শ দিলেও তার শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করেননি। এমনকি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন চিকিৎসককে জানাননি। প্রায় ৩০ মিনিট পর শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তামান্না খাতুন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম অভিযোগের চিঠিতে বলেন, দুর্গাপূজার ছুটি চলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বী চিকিৎসকদের ছুটি ছিল। এ সময় সীমিত পরিসরে জরুরি বিভাগ চালু রাখার নির্দেশনা ছিল। তিনি বলেন, শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা না দিয়ে এবং বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দায়িত্ব ত্যাগ করা উচিত ছিল না।
অভিযুক্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই দিন সকাল আটটায় তার ডিউটি শেষ হয়। জরুরি বিভাগ থেকে বের হওয়ার সময় শিশুটিকে নিয়ে আসা হয়। তিনি বলেন, শিশুটির কান্না শুনে নেবুলাইজেশন করার পরামর্শ দিয়ে তিনি চলে যান। বাসায় যাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর শিশুটির মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।
"দায়িত্ব পালনে অবহেলা সরকারি স্বাস্থ্যসেবার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। এ কারণে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।"
খুলনার সিভিল সার্জন ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পাঠানো চিঠিতে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম, ডা. তামান্না খাতুন, ডা. মনিরুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ অক্টোবর, ৩০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!