📌 ২০১৫ সালে কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে ঘুমন্ত অবস্থায় তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয় বরিশাল ছাত্রদলের নেতা টিপু হাওলাদারকে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষী হিসেবে সেলিনা বেগম জানান, ডিবি পরিচয়ে আসা ব্যক্তিরা টিপুকে তুলে নিয়ে যায়
ঢাকার কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে নিজ বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয় বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদারকে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ মঙ্গলবার সাক্ষী হিসেবে সেলিনা বেগম এ অভিযোগ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘুমন্ত টিপু হাওলাদারকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়
- 📌 একই ঘটনায় ক্রসফায়ারে নিহত হন জাসাস নেতা কবির মোল্লা
- 📌 সাক্ষী সেলিনা বেগম জানান, ঘটনার সময় তিনি চিৎকার করলে প্রতিবেশী নাহার বেগম তাঁকে সাহায্য করেন
- 📌 মামলায় চার আসামির মধ্যে দুইজন গ্রেপ্তার ও দুইজন পলাতক
📰 বিস্তারিত
সেলিনা বেগম তাঁর ভাগনি টিপু হাওলাদারের স্ত্রী। তিনি জানান, ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি টিপু তাঁর কেরানীগঞ্জের বাসায় আসেন। এর দুই দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর বাসায় প্রবেশ করে। তাঁরা নিজেদের ঢাকা থেকে আসা বলে পরিচয় দেন। টিপুকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় সেলিনা চিৎকার করেন। প্রতিবেশী নাহার বেগম ঘটনাস্থলে এসে তাঁকে সঙ্গ দেন।
সেলিনা বেগম আরও বলেন, রাতেই তিনি ভাগনিকে ফোন করে ঘটনা জানান। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে টেলিভিশনে দেখেন টিপু ও কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর ভাগনি জানান, অন্য থানার দুই পুলিশ সদস্য টিপুকে ক্রসফায়ারে হত্যা করেছেন।
এ মামলায় চারজন আসামির মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি উজিরপুর থানার সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
"টিপু হাওলাদার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় আমি চিৎকার করি। প্রতিবেশী নাহার বেগম এগিয়ে আসেন এবং ঘটনাস্থল পর্যন্ত যান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেরানীগঞ্জ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টিপু হাওলাদার, সেলিনা বেগম, কবির মোল্লা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন নিহত, ৪ জন আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!