📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিন্ধু পানি চুক্তি বহাল রাখার আদেশ প্রত্যাখ্যান করল ভারত, আন্তর্জাতিক আদালতকে অস্বীকার দিল্লির

সিন্ধু পানি চুক্তি বহাল রাখার আদেশ প্রত্যাখ্যান করল ভারত, আন্তর্জাতিক আদালতকে অস্বীকার দিল্লির

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাকিস্তানের সঙ্গে ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত। তবে ভারত তা প্রত্যাখ্যান করেছে। আদালত বলেছে, চুক্তি স্থগিত করার ভারতের কোনো বৈধ কারণ নেই

আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। পাকিস্তানের সঙ্গে বিদ্যমান সিন্ধু পানি চুক্তি বহাল রাখার আদেশ দেওয়া হলেও নয়াদিল্লি তা মানতে অস্বীকার করেছে। আদালত বলেছেন, চুক্তি স্থগিত বা বাতিল করার ক্ষেত্রে ভারতের কোনো বৈধ কারণ নেই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত সিন্ধু পানি চুক্তি বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন
  • 📌 ভারত বলেছে, আদালত ‘অবৈধভাবে গঠিত’ এবং এর নির্দেশ মানবে না
  • 📌 আদালত জানিয়েছেন, ১৯৬০ সালের চুক্তি পুরোপুরি বহাল রয়েছে
  • 📌 পাকিস্তানের প্রায় ৮০ শতাংশ কৃষিজমি এই চুক্তির ওপর নির্ভরশীল
  • 📌 ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল চুক্তি স্থগিত করার

📰 বিস্তারিত

পাকিস্তানের সঙ্গে বিদ্যমান সিন্ধু পানি চুক্তি বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত। তবে ভারত তা প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আদালতের এই নির্দেশ তারা মানবে না। কারণ হিসেবে তারা বলেছে, আদালতটি ‘অবৈধভাবে গঠিত’ এবং এর অস্তিত্ব ভারত স্বীকার করে না।

গত বছর কাশ্মীরের একটি পর্যটনকেন্দ্রে হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত চুক্তিটি স্থগিত করার ঘোষণা দেয়। নয়াদিল্লির দাবি ছিল, হামলায় জড়িত তিন হামলাকারীর দুজন পাকিস্তানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তবে ইসলামাবাদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে। এরপর কাশ্মীরে দুটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জলাধারের ধারণক্ষমতা বাড়ানোর কাজ শুরু করলে পাকিস্তান বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়।

১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত সিন্ধু পানি চুক্তির মাধ্যমে সিন্ধু অববাহিকার ছয়টি নদীর পানি দুই দেশের মধ্যে ভাগ করা হয়। পশ্চিমাঞ্চলের সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাব নদীর পানি মূলত পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত। অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলের রবি, বিয়াস ও শতদ্রু নদীর পানি ভারতের জন্য নির্ধারিত।

আদালত জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাংক নিযুক্ত একজন নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ ২০২৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে কাশ্মীর অঞ্চলের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা নির্ধারণ করবেন। ততদিন রাটলে প্রকল্পের বাঁধের দেয়াল ও পানি প্রবেশ কাঠামো নির্দিষ্ট মাত্রার ওপরে নির্মাণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

"ভারতের সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ওপর তথাকথিত এই সালিশি আদালতের কোনো এখতিয়ার নেই এবং এর কোনো সিদ্ধান্তই প্রকল্পগুলো নিয়ে ভারতের কর্মকাণ্ডে প্রভাব ফেলবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নয়াদিল্লি, কাশ্মীর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভারত সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ জন নিহত, ৮০ শতাংশ নির্ভরশীল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖