📌 কুষ্টিয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দমনে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় আওয়ামী লীগের হানিফসহ চার নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ২৯ অক্টোবর রায় ঘোষণা করা হবে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন প্যানেল রায় ঘোষণা করবে
আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল-২-এ কুষ্টিয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চার নেতার বিরুদ্ধে ২৯ অক্টোবর রায় ঘোষণা করা হবে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন রায় ঘোষণা করবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল-২-এ হানিফসহ চার আওয়ামী লীগ নেতার মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় রায় ঘোষণা করা হবে।
- 📌 বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন প্যানেলে বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর উপস্থিত ছিলেন।
- 📌 মামলায় আসামিরা হলেন: মাহবুবউল আলম হানিফ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), সদর উদ্দিন খান (কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি), আজগর আলী (সাধারণ সম্পাদক), ও আতাউর রহমান আতা (শহর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক)।
- 📌 চারজন আসামি বর্তমানে পলাতক অবস্থায়। তাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন।
- 📌 প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম ও জহিরুল আমিন।
- 📌 প্রসিকিউশন দাবি করেছে, হানিফসহ চারজনকে সর্বোচ্চ সাজা দিতে হবে, কারণ তারা সিভিলিয়ান লিডার হিসেবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দমনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
📰 বিস্তারিত
২৭ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন প্যানেল মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন। বিচারপতি নজরুলের পাশাপাশি বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর বিচার প্যানেলের সদস্য ছিলেন। মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, জহিরুল আমিন, সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা করা হয়েছিল। এই ঘটনায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চার নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আসামিরা বর্তমানে পলাতক অবস্থায় থাকায় তাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী আমির হোসেন।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, হানিফসহ চারজন আসামির বিরুদ্ধে আগেই মামলা শেষ হয়েছিল। তবে নতুন করে অতিরিক্ত তথ্যপ্রমাণ দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ যুক্তিতর্ক সম্পন্ন করে। প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, হানিফ সিভিলিয়ান লিডার হিসেবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দমনে সরকারের অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন এবং অধীনস্তদের মাধ্যমে আন্দোলন দমনে সবকিছু বাস্তবায়ন করেছিলেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও বাহাউদ্দীন নাছিমের মতো হানিফকেও একই অবস্থানে থেকে সর্বোচ্চ সাজা দিতে হবে।
মামলায় প্রসিকিউশন জানিয়েছে, হানিফ টেলিফোনে কথোপকথন করে কুষ্টিয়ার এসপি, জেলা-উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই কথোপকথনের রেকর্ড ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে।
"আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হানিফ সব ধরনের সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে তিনি ওবায়দুল কাদেরের প্রত্যেক বৈঠকে উপস্থিত থেকে সমর্থন করেছেন। এছাড়া টেলিফোনে কথোপকথন করে কুষ্টিয়ার এসপি ও নেতাকর্মীদের হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুষ্টিয়া (জেলা) ও শহর (আওয়ামী লীগ শাখা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুবউল আলম হানিফ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), সদর উদ্দিন খান, আজগর আলী, আতাউর রহমান আতা, বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, আমির হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ অক্টোবর (রায় ঘোষণা), ৪ জন (আসামি), ৬ জন (হতাহত), ২৭ অক্টোবর (প্যানেলের সিদ্ধান্ত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!