📌 ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জুলাই গণঅভ্যুত্থান হত্যাকাণ্ড মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির রায় ঘোষণা করবে। সাতজন আসামি বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে
ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জুলাই গণঅভ্যুত্থান হত্যাকাণ্ড মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজন আসামির রায় ঘোষণা করবে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারিক প্যানেল এই তারিখ নির্ধারণ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই গণঅভ্যুত্থান হত্যাকাণ্ড মামলায় রায় ঘোষণা করবে।
- 📌 মামলায় আসামি: ওবায়দুল কাদের (আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক), সাদ্দাম হোসেন (ছাত্রলীগ সভাপতি), আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিম (আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), মোহাম্মদ আলী আরাফাত (সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী), শেখ ফজলে শামস পরশ (যুবলীগ সভাপতি), মাইনুল হোসেন খান নিখিল (যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক), ওয়ালী আসিফ ইনান (ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক)।
- 📌 সাত আসামি বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে।
- 📌 বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন প্যানেলে বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীরও সদস্য।
- 📌 মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ: জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা সহিংসতার নির্দেশ দিয়েছেন, সশস্ত্র হামলা ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করেছেন।
📰 বিস্তারিত
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারিক প্যানেল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রায় ঘোষণা করার তারিখ নির্ধারণ করে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্যানেলের সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনসহ ছয়জন আরও নেতা। তাদের মধ্যে আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিম (আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), মোহাম্মদ আলী আরাফাত (সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী), শেখ ফজলে শামস পরশ (যুবলীগ সভাপতি), মাইনুল হোসেন খান নিখিল (যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক) ও ওয়ালী আসিফ ইনান (ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক)।
রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই ও আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে সহিংসতার নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। তারা বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র হামলা চালিয়েছেন, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।
গত ১৭ আগস্ট মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় ২ আগস্ট। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন, যার মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তাও রয়েছেন। গত ২২ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার আদেশ দিয়েছিল। গত ১৮ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
"জুলাই ও আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমনে আসামিরা সহিংসতার নির্দেশ দিয়েছেন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে দেশজুড়ে হত্যা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, ওবায়দুল কাদের, সাদ্দাম হোসেনসহ সাত আসামি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন আসামি, ১৫ সেপ্টেম্বর (রায়ের তারিখ), ২৯ জন সাক্ষী, ২ আগস্ট (সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!