📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্যাংক তহবিল থেকে ট্রাস্টে অর্থ স্থানান্তরে দুদকের মামলা: শেখ হাসিনা-শেখ রেহানা-বিএবি সাবেক সভাপতি অভিযুক্ত

ব্যাংক তহবিল থেকে ট্রাস্টে অর্থ স্থানান্তরে দুদকের মামলা: শেখ হাসিনা-শেখ রেহানা-বিএবি সাবেক সভাপতি অভিযুক্ত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টে প্রায় ২৭৬ কোটি টাকা অবৈধভাবে স্থানান্তরের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলা। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা এবং বিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মজুমদার

বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টে প্রায় ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা অবৈধভাবে স্থানান্তরের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুদকের অভিযোগ: ৪১টি ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে ট্রাস্টে অর্থ স্থানান্তরে নিয়মনীতি লঙ্ঘন
  • 📌 অভিযুক্ত ব্যক্তিবর্গ: শেখ হাসিনা (সাবেক প্রধানমন্ত্রী), শেখ রেহানা (ছোট বোন), মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মজুমদার (বিএবি সাবেক সভাপতি)
  • 📌 অর্থের পরিমাণ: ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা
  • 📌 অভিযোগের ভিত্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুসরণ না করা এবং ব্যয়ের ভাউচার না থাকা

📰 বিস্তারিত

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যে, ৪১টি ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি। বিএবির নির্বাহী কমিটির সভায় বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে না থাকলেও ‘বিবিধ’ আলোচনায় উপস্থাপনের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া ট্রাস্টের আয়কর রিটার্নে ৬৭ কোটি ৫৩ লাখ ৬২ হাজার ৪৪৯ টাকা ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেলেও এর বিপরীতে প্রয়োজনীয় ভাউচার বা রেকর্ডপত্র উপস্থাপন করা হয়নি বলে দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুসারে, বিএবির তৎকালীন সভাপতি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মজুমদারের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে ট্রাস্টে অর্থ স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরবর্তীতে ব্যাংকগুলো থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়। তবে এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা বা নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি বলে দুদক জানিয়েছে।

"৪১টি ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মনীতি অনুসরণ করা হয়নি। ব্যাংকগুলোর সংগঠন বিএবির নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি না থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ আলোচনায় এটি উপস্থাপন করে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগও এসেছে অনুসন্ধানে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মজুমদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৪১টি ব্যাংক, ৬৭ কোটি ৫৩ লাখ ৬২ হাজার ৪৪৯ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖