📌 হাইকোর্টের রায়ে সাবেক বিচারপতিদের সাধারণ পাসপোর্টের জন্য গোয়েন্দা ক্লিয়ারেন্সের বাধ্যবাধকতা অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও আসিফ হাসানের নেতৃত্বে বেঞ্চ ৯ সেপ্টেম্বর এই সিদ্ধান্ত নেয়
হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সাবেক বিচারপতিদের সাধারণ পাসপোর্টের জন্য গোয়েন্দা ক্লিয়ারেন্সের বাধ্যবাধকতা অবৈধ ঘোষণা করেছে। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও আসিফ হাসানের নেতৃত্বে বেঞ্চ গত ২ সেপ্টেম্বর এই রায় প্রদান করেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। রায়ে বলা হয়েছে, বিচারক পদে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র তাদের মর্যাদা ও পরিচয় যাচাই করে কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রদান করে। অবসরের পর সাধারণ পাসপোর্ট পেতে তাদের পুনরায় গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাইকোর্টের রায়ে সাবেক বিচারপতিদের সাধারণ পাসপোর্টের জন্য গোয়েন্দা ক্লিয়ারেন্সের বাধ্যবাধকতা অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
- 📌 বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও আসিফ হাসানের নেতৃত্বে বেঞ্চ ৯ সেপ্টেম্বর এই রায় প্রদান করেন।
- 📌 সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীসহ তাদের স্ত্রীদেরও সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গোয়েন্দা ক্লিয়ারেন্সের শর্ত আরোপ করে, যা বেঞ্চ অবৈধ বলে ঘোষণা করেছে।
📰 বিস্তারিত
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট একটি স্মারকে ঘোষণা করে যে, কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণকারী ব্যক্তিবর্গের সাধারণ পাসপোর্ট পাওয়ার পূর্বে দুটি গোয়েন্দা সংস্থার সন্তোষজনক প্রতিবেদন প্রয়োজন। এই সিদ্ধান্তের কারণে সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণ করে সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করলেও গোয়েন্দা ক্লিয়ারেন্স পাননি। এই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগের প্রোটোকল অফিসার মো. রোমান ভূঁইয়া প্রশাসনিক বাধা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন। পরে হাইকোর্ট রুল জারি করে এবং সেই রুল নিষ্পত্তি করে এই রায় প্রদান করা হয়।
রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিচারক পদে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র তাদের মর্যাদা ও পরিচয় যাচাই করে কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রদান করে। অবসরের পর সাধারণ পাসপোর্ট পেতে তাদের পুনরায় গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন নেই। পূর্বে তাদের সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদনের প্রয়োজন ছিল না।
"বিচারক পদে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র তাদের মর্যাদা ও পরিচয় যাচাই করেই কূটনৈতিক পাসপোর্ট দিয়ে থাকে। অবসরের পর সাধারণ পাসপোর্ট পেতে তাদের পুনরায় গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের সম্মুখীন করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাইকোর্ট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি ফাহমিদা কাদের, আসিফ হাসান, মোহাম্মদ ইমান আলী, মো. রোমান ভূঁইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ সেপ্টেম্বর (রুল নিষ্পত্তি), ৯ সেপ্টেম্বর (রায় প্রকাশ), ২২ আগস্ট ২০২৪ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্মারক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!