📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্ট খারিজ করে রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান নিয়ে রিট: বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ অনুপস্থিত

হাইকোর্ট খারিজ করে রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান নিয়ে রিট: বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ অনুপস্থিত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ আদেশে রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান (১২৪ক ধারা) নিয়ে করা রিট সরাসরি খারিজ করা হয়েছে। আইনজীবী ইশরাত হাসানের রিটে বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় আদালত রায় দিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ আদেশে রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান নিয়ে করা রিট সরাসরি খারিজ করা হয়েছে। বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ৩১ আগস্ট এই রায় দিয়েছিলেন। চার পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ আদেশে বলা হয়েছে, রিট আবেদনকারী আইনজীবী ইশরাত হাসানের দাবি অনুযায়ী বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর অযৌক্তিক বিধিনিষেধ আরোপের কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রিটে করা হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান (১২৪ক ধারা) নিয়ে করা রিট সরাসরি খারিজ করে হাইকোর্ট পূর্ণাঙ্গ আদেশ দিয়েছে।
  • 📌 বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও দেবাশীষ রায় চৌধুরী সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ৩১ আগস্ট আদেশ দিয়েছিলেন।
  • 📌 বাকস্বাধীনতা লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় রিটের কোনো সারবত্তা পাওয়া যায়নি।
  • 📌 রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও জামিলা মমতাজ শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।
  • 📌 রিট আবেদনকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেছেন, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।

📰 বিস্তারিত

হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ আদেশে বলা হয়েছে, ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ আরোপ করেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আদালতের মতে, এই ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে, কিন্তু এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রিটে করা হয়নি।

রিট আবেদনকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান জানান, তিনি প্রথম আলোকে বলেছেন, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রদ্রোহের সংজ্ঞা ও শাস্তি নির্ধারণের বিধান (১২৪ক ধারা) সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর অযৌক্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করে।

আদালতে শুনানিতে আইনজীবী ইশরাত হাসান নিজেই রিটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ শুনানিতে ছিলেন।

"দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই ধারার কারণে কোনো ব্যক্তির মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রিটে করা হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, হাইকোর্ট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল, বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী, আইনজীবী ইশরাত হাসান, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৪ক ধারা, ৩৯(২) অনুচ্ছেদ, ৩১ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖