📌 অটোরিকশা বিক্রির উদ্দেশ্যে শেরপুরের অটোরিকশা চালক আসাদুল ইসলাম (২৬)কে হত্যা করে তার লাশ করতোয়া নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশ রিয়াদ হোসেন (২১) ও তার নানি রেহানা বেগম (৬০)-কে গ্রেপ্তার করেছে। আসাদুলের অটোরিকশা ও হত্যার জন্য ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে
বগুড়ার শেরপুরে অটোরিকশা বিক্রির লালসায় একটি অটোরিকশা চালককে হত্যা করে তার লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশের তদন্তে দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসাদুল ইসলাম (২৬) হত্যার ঘটনায় রিয়াদ হোসেন (২১) ও তার নানি রেহানা বেগম (৬০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অটোরিকশা বিক্রির উদ্দেশ্যে আসাদুলকে হত্যা করা হয় এবং লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অটোরিকশা বিক্রির লালসায় হত্যা: শেরপুরের অটোরিকশা চালক আসাদুল ইসলাম (২৬)কে হত্যা করে তার লাশ করতোয়া নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
- 📌 দুজন গ্রেপ্তার: রিয়াদ হোসেন (২১) ও তার নানি রেহানা বেগম (৬০)-কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
- 📌 অটোরিকশা ও ছুরি উদ্ধার: আসাদুলের অটোরিকশা বগুড়া থেকে উদ্ধার করা হয়। হত্যার জন্য ব্যবহৃত ধারালো ছুরি শেরপুরের করতোয়া নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
- 📌 মাদকসেবী ও বিরোধের ফল: আসাদুল ও রিয়াদ দুজনই মাদকসেবী ছিলেন। বিরোধের ফলেই আসাদুলের মৃত্যু ঘটে।
- 📌 হত্যার পরিকল্পনা: রিয়াদ আসাদুলের অটোরিকশা বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছিল।
📰 বিস্তারিত
গত ২৪ অক্টোবর দুপুরে শেরপুর উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের কাফুরা গ্রামের বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরদিন তিনি আর ফিরেননি। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় উপজেলার শাহবন্দেগি ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর নামাপাড়া গ্রামের করতোয়া নদী থেকে আসাদুলের লাশ উদ্ধার করা হয়। আসাদুলের মা মামলা করেন এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আসাদুল ও রিয়াদ হোসেন দুজনই মাদকসেবী ছিলেন। ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় রণবীরবালা গ্রামে রেহানা বেগমের বাড়িতে তারা একসাথে ইয়াবা সেবন করেন। আসাদুল রিয়াদের কাছে থাকা ৫০ টাকার একটি নোট দেখতে চান। নোটটি দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিরোধ শুরু হয়। রিয়াদ ঘরে থাকা ছুরি দিয়ে আসাদুলের গলায় আঘাত করেন। আসাদুল আঘাতের পর রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে যান। রিয়াদ তাঁর মুখে কাপড় গুঁজে বুক চেপে ধরেন। পরে তাঁর নানি রেহানা বেগম সহযোগিতা করে বিছানার চাদরে লাশ মুড়িয়ে বাড়ির পাশের করতোয়া নদীতে ফেলে দেন।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, আসাদুলের অটোরিকশাটি বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল রিয়াদের। ২৪ অক্টোবর দুপুরের পর রিয়াদ আসাদুলের অটোরিকশায় যাত্রী হিসেবে ওঠেন এবং তাঁকে নিয়ে নানির বাড়িতে যান। সেখানে সন্ধ্যায় তারা ইয়াবা সেবন করেন। ওসি জানান, গ্রেপ্তার দুজনকে আজ রোববার বিকেলে বগুড়ার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
"আসাদুল ও রিয়াদ দুজনই মাদকসেবী ছিলেন। বিরোধের ফলেই আসাদুলের মৃত্যু ঘটে। লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ার কাজে তাঁর নানি সহযোগিতা করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরপুর উপজেলা, বগুড়া, করতোয়া নদী, গাবতলী উপজেলা, চকমুড়িয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসাদুল ইসলাম (২৬), রিয়াদ হোসেন (২১), রেহানা বেগম (৬০), জয়নুল আবেদীন, একরামুল হোসাইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ বছর (আসাদুল), ২১ বছর (রিয়াদ), ৬০ বছর (রেহানা বেগম), ২৪ অক্টোবর, ২৭ অক্টোবর, ৫০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!