📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্টের রায়ে পুনর্বহাল: বি-আর পাওয়ারজেনের প্রধান প্রকৌশলী মাহবুব কবিরের অপসারণ অনিয়মসাপেক্ষ

হাইকোর্টের রায়ে পুনর্বহাল: বি-আর পাওয়ারজেনের প্রধান প্রকৌশলী মাহবুব কবিরের অপসারণ অনিয়মসাপেক্ষ

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্ট বি-আর পাওয়ারজেনের প্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুব কবিরের অপসারণকে অনিয়মসাপেক্ষ ঘোষণা করে এবং তাকে অবিলম্বে পদে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছে। আদালত উল্লেখ করেছে যে, অপসারণ প্রক্রিয়ায় ন্যায়বিচারের মূল্যবোধ লঙ্ঘিত হয়েছিল এবং তদন্তে ব্যাপক অনিয়ম ছিল

হাইকোর্টের রায়ে রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ কোম্পানি বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেডের প্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুব কবিরের অপসারণকে অনিয়মসাপেক্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রায়ে বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মি রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ তাকে অবিলম্বে পদে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৫ অক্টোবর হাইকোর্টের রায়ে বি-আর পাওয়ারজেনের প্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুব কবিরের অপসারণকে অনিয়মসাপেক্ষ ঘোষণা করা হয়েছে এবং তাকে পদে পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 ২০২০ সালের ২৩ জুন মিরসরাই বিদ্যুৎ প্রকল্পের জেনারেটর উৎস সংক্রান্ত জটিলতায় মাহবুব কবিরকে অসদাচরণের অভিযোগে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল।
  • 📌 আদালত উল্লেখ করেছে যে, অপসারণ প্রক্রিয়ায় প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের মূল্যবোধ লঙ্ঘিত হয়েছিল এবং বিভাগীয় তদন্তে কোনো সাক্ষীকে জেরা করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
  • 📌 বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি ৫৬ পৃষ্ঠার বিস্তারিত প্রতিবেদনে অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছিল, কিন্তু কোম্পানি বোর্ড তা ধামাচাপা দিয়ে মাত্র ৮ পৃষ্ঠার পরিবর্তিত প্রতিবেদন তৈরি করে।
  • 📌 হাইকোর্ট উল্লেখ করেছে যে, বোর্ডের পদক্ষেপটি আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ছিল এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বি-আর পাওয়ারজেনের কাজ জনস্বার্থমূলক হওয়ায় মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রিট সরাসরি গ্রহণযোগ্য।

📰 বিস্তারিত

হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বি-আর পাওয়ারজেনের প্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুব কবিরের অপসারণ প্রক্রিয়া ছিল অনিয়মসাপেক্ষ এবং প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, বিভাগীয় তদন্তে কোনো সাক্ষীকে জেরা করার সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা আইনি প্রক্রিয়ার মূল্যবোধ লঙ্ঘন করে।

২০২০ সালের ২৩ জুন মিরসরাই বিদ্যুৎ প্রকল্পের জেনারেটর উৎস সংক্রান্ত জটিলতায় মাহবুব কবিরকে অসদাচরণের অভিযোগে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। তবে, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি ৫৬ পৃষ্ঠার বিস্তারিত প্রতিবেদনে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছিল। কিন্তু কোম্পানি বোর্ড সেই প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পরিবর্তে তা ধামাচাপা দিয়ে মাত্র ৮ পৃষ্ঠার একটি পরিবর্তিত প্রতিবেদন তৈরি করে।

হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোম্পানি বোর্ডের এই পদক্ষেপটি আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ছিল। আদালত উল্লেখ করেছে যে, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বি-আর পাওয়ারজেন জনস্বার্থমূলক কাজ সম্পাদন করে। ফলে, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন বা ক্ষমতার অপব্যবহারের ক্ষেত্রে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে রিট সরাসরি গ্রহণযোগ্য।

"এই অপসারণ প্রক্রিয়া ছিল প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। কারণ বিভাগীয় তদন্তে কোনো সাক্ষীকে জেরা করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, সুপ্রিম কোর্ট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মাহবুব কবির (বি-আর পাওয়ারজেনের প্রধান প্রকৌশলী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর, ২৩ জুন ২০২০, ৩ সদস্য, ৫৬ পৃষ্ঠা, ৮ পৃষ্ঠা, ১০২ অনুচ্ছেদ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖