📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাইকোর্টের রায়ে গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবি মেনে নিতে হবে

হাইকোর্টের রায়ে গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবি মেনে নিতে হবে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাইকোর্টের নতুন রায়ে গ্রামীণ কল্যাণকে পাঁচ বছরের কর দাবি মেনে নিতে হবে। ৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধের জন্য ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। সাবেক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সংস্থাটি কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট খারিজের পর এই অবস্থায় পড়েছে

হাইকোর্টের নতুন রায়ে গ্রামীণ কল্যাণকে পাঁচ বছরের করবর্ষের জন্য প্রায় ৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধ করতে হবে। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার রুল ডিসচার্জ করে রায় দিয়েছেন। এই রায়ে গ্রামীণ কল্যাণের বিরুদ্ধে কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বৈধতা স্বীকার করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবি মেনে নিতে হবে গ্রামীণ কল্যাণকে — পাঁচটি করবর্ষের (২০১২-১৭) কর পরিশোধের জন্য ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 রুল ডিসচার্জ করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট — গ্রামীণ কল্যাণের করা দুটি রিট খারিজ করা হয়েছে।
  • 📌 সাবেক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন গ্রামীণ কল্যাণের বিরুদ্ধে কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বৈধতা স্বীকার করা হয়েছে।
  • 📌 ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রুল খারিজের রায় পরে প্রত্যাহার করা হয়েছিল — কারণ দ্বৈত বেঞ্চের বিচারক সরকারপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
  • 📌 ৩০ দিনের মধ্যে ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট ডিমান্ড নোটিশ জারি করবে — পরিশোধ না করলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

📰 বিস্তারিত

গ্রামীণ কল্যাণের বিরুদ্ধে কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের নতুন রায়ে সংস্থাটিকে প্রায় ৬৬৬ কোটি টাকার কর পরিশোধ করতে হবে। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ আজ রুল ডিসচার্জ করে রায় দিয়েছেন। এই রায়ে গ্রামীণ কল্যাণের বিরুদ্ধে কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বৈধতা স্বীকার করা হয়েছে।

২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দুটি রিট দায়ের করেছিল। প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল দিয়েছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করে রায় দিয়েছিল। রায়ে কর কমিশনারের আদেশ বাতিল করা হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট একই বেঞ্চ রুল খারিজের রায় পরে তা প্রত্যাহার করেছিল। কারণ দ্বৈত বেঞ্চের বিচারক সরকারপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

প্রধান বিচারপতি বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন দ্বৈত বেঞ্চে পাঠান। শুনানি শেষে আজ রুল ডিসচার্জের রায় দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল, সরদার জিন্নাত আলী ও আবদুল্লাহ আল মামুন শুনানিতে ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আবদুস সামাদ আজাদ।

"পাঁচটি করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রায় ৬৬৬ কোটি টাকা অনাদায়ি ছিল। প্রদেয় কর দাবি ঘিরে কর কমিশনারের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে গ্রামীণ কল্যাণ দুটি রিট করে। রিট দুটির চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রুল ডিসচার্জ করে দিয়েছেন। অর্থাৎ গ্রামীণ কল্যাণকে এখন সরকারের রাজস্ব বাবদ প্রায় ৬৬৬ কোটি পরিশোধ করতে হবে।"

রায় পাওয়ার পর ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট ৩০ দিন সময় দিয়ে ডিমান্ড নোটিশ ইস্যু করবে। গ্রামীণ কল্যাণের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ রায় পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি পাওয়ার পর আপিল করা হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, হাইকোর্ট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া, বিচারপতি রেজাউল করিম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আবদুস সামাদ আজাদ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল, সরদার জিন্নাত আলী, আবদুল্লাহ আল মামুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬৬ কোটি টাকা (কর দাবি), ৩০ দিন (ডিমান্ড নোটিশের সময়), ২০১২-২০১৭ (করবর্ষ), ৪ আগস্ট ২০২৪ (প্রথম রুল খারিজের রায়), ২৯ আগস্ট ২০২৪ (রায় প্রত্যাহার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖