📌 হাইকোর্ট জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষায় তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটি সরকারি কর্মচারীদের পতাকার আইনি ব্যবহার নিশ্চিত করতে ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে। আইনজীবী শরিফ সরকারের রিটের মাধ্যমে এই আদেশ নেওয়া হয়
হাইকোর্ট জাতীয় পতাকার মর্যাদা ও আইনি ব্যবহার নিশ্চিত করতে তিন সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি সরকারি কর্মচারীদের চেয়ার বা সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের আইনি অবস্থা পরীক্ষা করবে এবং ৬০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বাধ্য হবে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহামুদের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই নির্দেশনা জারি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাইকোর্টের নির্দেশে জাতীয় পতাকার আইনি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গঠিত কমিটি: একজন বিচারিক কর্মকর্তা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রতিনিধি ও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সদস্য
- 📌 সরকারি কর্মচারীদের চেয়ার বা সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন, উত্তোলন বা ব্যবহারের আইনি অবস্থা পরীক্ষা করবে কমিটি
- 📌 ৬০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে হবে কমিটিকে
- 📌 আইনজীবী শরিফ সরকারের রিটের মাধ্যমে এই আদেশ নেওয়া হয়
- 📌 জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী পতাকার প্রদর্শন ও উত্তোলনের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে
📰 বিস্তারিত
হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী কমিটি সরকারি কর্মচারীদের চেয়ার বা সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের আইনি অবস্থা পরীক্ষা করবে। আদেশে বলা হয়েছে, যেসব কর্মচারী আইনগতভাবে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করার অধিকারী নন, তাদের অফিসে পতাকা প্রদর্শন থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়াও, জাতীয় পতাকাকে অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা বা ব্যক্তিগত ব্যাকড্রপ হিসেবে ব্যবহার থেকেও বিরত থাকতে হবে।
গত ২৫ আগস্ট হাইকোর্টের আদেশে সরকারি কর্মচারীদের জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে, আইনজীবী ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকীর দাবি, সরকারি অফিস ও অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলিতে কর্মকর্তারা আইনবহির্ভূতভাবে পতাকা প্রদর্শন করছেন। তিনি বলেন, জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী ১৫ ধরনের ব্যক্তিবর্গেরই পতাকা প্রদর্শনের অধিকার রয়েছে। কিন্তু অধীনস্থ অফিসের কর্মকর্তারা পতাকা প্রদর্শন করছেন, যা আইনে অনুমোদিত নয়।
আদালতে শুনানিতে ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী আরও উল্লেখ করেন, জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে আইনে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ফ্রি-ফ্লোটিং অবস্থায় রাখার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু কর্মকর্তারা পতাকাকে বেঁকিয়ে বা কার্ভ করে প্রদর্শন করছেন, যা আইনের বিরুদ্ধে।
"জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এ ১৫ ধরনের ব্যক্তিবর্গকে তাদের দপ্তরে, বাসস্থানে এবং গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সরকারের অধীনস্থ অফিসের কর্মকর্তারা পতাকা প্রদর্শন করছেন, যা আইনে অনুমোদিত নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের হাইকোর্ট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি আহমেদ সোহেল, বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহামুদের, আইনজীবী শরিফ সরকার, ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ দিন, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২৫ আগস্ট, ১৫ ধরনের ব্যক্তিবর্গ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!