📌 বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে দুর্ব্যবহার ও সরকারি কাজে বাধা দানের মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করেছে
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন। আইনজীবী শিশির মনির রোববার (১ নভেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেজর আখতারুজ্জামান হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে দুর্ব্যবহার ও সরকারি কাজে বাধা দানের মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন
- 📌 ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত তার জামিন আবেদন ৩ বার খারিজ করেছে
- 📌 ১ অক্টোবর বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি নিয়ে অব্যবস্থাপনা ও কর্মকর্তা লাঞ্ছিত করার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়
- 📌 ৩৪ জন যাত্রী নিয়ে মদিনা থেকে ঢাকায় আসার সময় ঘটনাটি ঘটে
- 📌 বিমানবন্দর নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব মামলা দায়ের করেন
📰 বিস্তারিত
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে ১ অক্টোবর বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি নিয়ে অব্যবস্থাপনা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব। গ্রেপ্তারের পর তদন্ত কর্মকর্তা তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানান। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ২৬ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে তার জামিন আবেদন শুনানির সময় আদালত তা খারিজ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে ৪ অক্টোবর ও ১ অক্টোবর তার জামিন আবেদনও খারিজ করা হয়েছিল। আইনজীবী শিশির মনির জানান, রোববার (১ নভেম্বর) হাইকোর্টে তার জামিন আবেদন করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মদিনা থেকে ঢাকায় ফেরেন। তাদের বহনকারী ফ্লাইট সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন শেষে যাত্রীরা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় যান। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে ট্রলি সংগ্রহে সংকট সৃষ্টি হয় এবং দীর্ঘ লাইন দেখা দেয়। এ সময় কিছু কর্মকর্তা লাইনের নিয়ম না মেনে ট্রলি নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়। লাগেজ পেতে দেরি ও জমজমের পানি না পাওয়ায় কিছু যাত্রী উত্তেজিত হয়ে অশোভন আচরণ করেন।
"মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।" — মামলার এজাহার সূত্র
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, আইনজীবী শিশির মনির, ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর, মো. শাহরিয়ার আলম সজিব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ জন যাত্রী, ৮টা ৫৫ মিনিট, ১ নভেম্বর, ২৬ নভেম্বর, ৪ অক্টোবর, ১ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!