📌 হাইকোর্ট নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণে আর্থিক ক্ষতির হিসাব নিরূপণ করে পরিবেশ অধিদপ্তরকে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছে। আইনজীবী মনজিল মোরসেদের রিট আবেদনে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ এই আদেশ প্রদান করেছেন
হাইকোর্ট নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে পরিবেশ অধিদপ্তরকে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের বেঞ্চে এই আদেশ প্রদান করা হয়। শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণে কতটা অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণ করে পরিবেশ সচিব ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাইকোর্টের নির্দেশ: শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণে আর্থিক ক্ষতির হিসাব নিরূপণ করে পরিবেশ অধিদপ্তরকে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
- 📌 আদালতের বেঞ্চ: বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ এই নির্দেশ প্রদান করেছেন।
- 📌 আবেদনকারী: জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।
- 📌 গণমাধ্যমের প্রতিবেদন: শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত শিল্প কারখানাগুলো বর্জ্য ফেলে পানি দূষণ করছে বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে রিট আবেদনের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
- 📌 পূর্বের আদেশ: গত ৬ মে হাইকোর্ট রুল জারি করে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের রিট আবেদনে শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই রিটের মাধ্যমে পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, পরিবেশ আইনের অধীনে লাইসেন্স ছাড়া কোনো শিল্প কারখানা পরিচালনা করা দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু শিল্প মালিকরা আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে শীতলক্ষ্যা নদী দূষণ করছেন।
আদালত প্রায় এক বছর আগে পরিবেশ অধিদপ্তরকে প্রতিবেদন দিতে আদেশ দিয়েছিল, কিন্তু এখন পর্যন্ত তা দাখিল করা হয়নি। এর ফলে আবারও এই রিট আবেদন করা হয়েছে।
"পরিবেশ আইন অনুসারে পরিবেশের লাইসেন্স ব্যতীত কোন শিল্পকারখানা পরিচালনা করা পরিবেশ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু শিল্প মালিকরা আইনের তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন থেকে ইটিপি ছাড়াই তাঁদের শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ করছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ, শীতলক্ষ্যা নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি আহমেদ সোহেল, বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ, মনজিল মোরসেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!