📌 ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে অটোরিকশা ব্যবসায়ী ইমরানকে গ্যারেজে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিন আসামিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। মামলায় অভিযোগ: চাঁদা দাবি নিয়ে গুলিবর্ষণ ও লুটতরাজ।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে অটোরিকশা ব্যবসায়ী সাগর খান ওরফে ইমরান (৩৮) গ্যারেজে গুলিবর্ষণে নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিন আসামিকে রিমান্ড শেষে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ জারি করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩৮ বছর বয়সী ইমরান গ্যারেজে গুলিবর্ষণে নিহত হন, বন্ধু সাদ্দাম গুরুতর আহত হন
- 📌 ৩ আসামি — রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ (কালিয়া রিয়াজ), মো. কামরুল হাসান ও মো. সাইফুল হোসেন — কারাগারে পাঠানো হয়
- 📌 ৬ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে গুলিবর্ষণ ঘটে, ইমরানের কাছ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, মোবাইল ও মোটরসাইকেল চুরি করা হয়
- 📌 সাদ্দামের কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকা ও মোবাইল চুরি করা হয়, পরে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়
- 📌 ইমরানের স্ত্রী ৭ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলা করেন, তদন্তে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়
📰 বিস্তারিত
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি নিয়ে রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ ও কামরুল হাসানের সঙ্গে ইমরানের বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে রিয়াজ, কামরুলসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা মোটরসাইকেলে করে কালো হেলমেট পরা অবস্থায় আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ইমরানের গ্যারেজে ঢুকেন। সেখানে তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। একপর্যায়ে রিয়াজ পেছন থেকে ইমরানের মাথায় গুলি করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে ইমরানের বন্ধু সাদ্দামকে মারধর করা হয়। সাদ্দাম পালানোর চেষ্টা করলে রিয়াজ তাঁর বাম পায়ে গুলি করেন। অন্য আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। স্থানীয়রা ইমরান ও সাদ্দামকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন। সাদ্দামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, হামলাকারীরা ইমরানের কাছ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেল এবং সাদ্দামের কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যান। ইমরানের স্ত্রী ৭ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলার তদন্তে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার সালেহ আবু নাঈম। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ ঘটনার সাথে সম্পর্কিতভাবে, নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলা শহরে একটি ওষুধের দোকানের সিসি ক্যামেরা অচল করে ২৫ লাখ টাকার ওষুধ নিয়ে গেছে চোরেরা। এ ঘটনায় আজ শনিবার দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
"দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি নিয়ে বিরোধের জেরে গুলিবর্ষণ ঘটে। ইমরানকে গুলি করে হত্যা করা হয় এবং সাদ্দামকে মারধর করে লুটতরাজ করা হয়।" — মামলার এজাহার সূত্র
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার যাত্রাবাড়ী, নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলা শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাগর খান ওরফে ইমরান (৩৮), রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ (কালিয়া রিয়াজ), মো. কামরুল হাসান, মো. সাইফুল হোসেন, সাদ্দাম, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ, উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার সালেহ আবু নাঈম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ বছর (ইমরানের বয়স), ৩ আসামি, ৬ সেপ্টেম্বর, ১০:৩০ টা, ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ৬৫ হাজার টাকা, ২৫ লাখ টাকা ওষুধ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!