📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী পালিয়ে যাওয়ার পর আটক, মামলা দায়ের

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী পালিয়ে যাওয়ার পর আটক, মামলা দায়ের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যাওয়া স্বামী মোরসেলিম আকাশ (২৭) আটক হন। স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। মামলা দায়ের করে শাহিনা বেগমের মা রহিমা বেগম

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যাওয়া স্বামী মোরসেলিম আকাশ (২৭) আজ শুক্রবার পুলিশের হাতে আটক হন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেন। ঘটনাস্থলে মামলা দায়ের করে শাহিনা বেগমের মা রহিমা বেগম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাইবান্ধা পলাশবাড়ীতে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী মোরসেলিম আকাশ (২৭) আটক হন
  • 📌 শাহিনা বেগম (২২)কে হত্যা করে মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান মোরসেলিম
  • 📌 স্থানীয়রা হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাওয়া মোরসেলিমকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন
  • 📌 মামলায় মোরসেলিমের পাশাপাশি ২-৩ অজ্ঞাতনামা আসামির নাম উল্লেখ করা হয়েছে
  • 📌 শাহিনা বেগম পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন

📰 বিস্তারিত

গত বৃহস্পতিবার রাতে পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মাজহারুল ইসলামের ছেলে মোরসেলিম আকাশ (২৭) স্ত্রী শাহিনা বেগম (২২)কে হত্যা করে মরদেহ পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে যান। চিকিৎসক শাহিনাকে মৃত ঘোষণা করার পরই তিনি বেপরোয়া গতিতে প্রাইভেট কার চালিয়ে হাসপাতাল থেকে দূরে চলে যান। স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেন।

শাহিনা বেগম সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর গ্রামের মৃত শাহাজাদা মিয়ার মেয়ে ছিলেন। তিনি পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। শাহিনার মা রহিমা বেগম মোরসেলিমকে হত্যার অভিযোগে আজ আদালতে মামলা করেন। মামলায় মোরসেলিমের পাশাপাশি ২-৩ অজ্ঞাতনামা আসামির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সচালক হৃদয় মণ্ডল জানান, মোরসেলিম শাহিনাকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করার পরই মোরসেলিম পালিয়ে যান। হাসপাতালের দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেন।

রহিমা বেগম বলেন, ‘মোরসেলিম আমার মেয়ে শাহিনাকে হত্যা করে মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে আসে। সে একজন মাদকাসক্ত। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই আমার মেয়েকে মারধর করত। গতকালও শাহিনাকে মারধর করা হয় বলে জানতে পারি। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’

"মোরসেলিম আমার মেয়ে শাহিনাকে হত্যা করে মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে আসে। সে একজন মাদকাসক্ত। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই আমার মেয়েকে মারধর করত।"

ময়নাতদন্তের জন্য শাহিনার মরদেহ গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সারওয়ার আলম খান জানান, শাহিনার মরদেহের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাটি তদন্তের পর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পলাশবাড়ী উপজেলা, গাইবান্ধা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোরসেলিম আকাশ (২৭), শাহিনা বেগম (২২), রহিমা বেগম, হৃদয় মণ্ডল, সারওয়ার আলম খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ বছর (মোরসেলিম), ২২ বছর (শাহিনা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖