📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাইবার সুরক্ষা আইন অনুমোদনের আগে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার দাবি টিআইবির

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
সাইবার সুরক্ষা আইন অনুমোদনের আগে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার দাবি টিআইবির

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টিআইবি সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া অনুমোদনের আগে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে সংশোধন করার দাবি জানিয়েছে। তারা সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকা কাউন্সিল গঠনের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়েছে এবং আইনে দায়মুক্তির বিধানকে সমালোচনা করেছে

সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া অনুমোদনের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে আইনটিকে আরও কার্যকর ও নিরপেক্ষ করার দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি আজ শুক্রবার একটি বিবৃতিতে এই দাবি তুলে ধরেছে। বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, বর্তমান খসড়া আইনে সরকারের সরাসরি কর্তৃত্বাধীন সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব রয়েছে, যা আইনের স্বাধীনতা ও দায়বদ্ধতার মূলনীতি লঙ্ঘন করবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **২৮ সদস্যের সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে বেসরকারি বিশেষজ্ঞদের সংখ্যা মাত্র ২জন** — এবং তারা সরকার কর্তৃক মনোনীত হবে।
  • 📌 **সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকা কাউন্সিলের আশঙ্কা** — আইনের ব্যাখ্যা ও প্রয়োগে জবাবদিহি ছাড়াই ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হবে।
  • 📌 **দায়মুক্তির বিধান সমালোচিত** — আইনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘সরল বিশ্বাসে’ করা কর্মকাণ্ডের জন্য মামলা থেকে দায়মুক্তির বিধান ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’ বলে মনে করা হচ্ছে।
  • 📌 **স্বাধীন ও দলনিরপেক্ষ কাউন্সিল গঠনের দাবি** — বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত কাউন্সিলের ওপর আইন প্রণয়নের ক্ষমতা ন্যস্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে টিআইবি।
  • 📌 **বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে** — সাইবার সুরক্ষা আইনে আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের অবহেলা করলে ‘নাগরিকদের সাইবার নিরাপত্তা’ লঙ্ঘিত হবে বলে আশঙ্কা জানানো হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, বর্তমান খসড়া আইনে সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের ২৮ সদস্যের মধ্যে মাত্র দুজন বেসরকারি পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ হিসেবে অন্তর্ভুক্তির কথা বলা হয়েছে। এদেরও সরকার কর্তৃক মনোনীত করা হবে। তিনি মনে করেন, এ ধরনের কাঠামোতে কাউন্সিল সরকারের সরাসরি কর্তৃত্বাধীন হয়ে পড়বে এবং আইনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যাখ্যা ও যথেচ্ছ প্রয়োগের ক্ষমতা কাউন্সিলের হাতে চলে যাবে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেছেন, খসড়া আইনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘সরল বিশ্বাসে’ করা কর্মকাণ্ডের জন্য ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা থেকে দায়মুক্তির বিধান রয়েছে। তিনি এই বিধানটিকে ‘আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান’-এই মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের দায়মুক্তি আইনের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা ভঙ্গ করবে এবং সাইবার পরিসরে অবারিত নজরদারি ও জবাবদিহিহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি করবে।

টিআইবি বলেছে, খসড়া আইন অনুমোদিত হলে বাংলাদেশের সাইবার পরিসরে সরকারের ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পাবে। এতে জনগণের সাইবার প্রবেশাধিকার সরকারের ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রিত হতে পারে এবং ভিন্নমত দমনসহ মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি বাড়বে। সংস্থাটি বলেছে, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে সব নাগরিকের সাইবার সুরক্ষার অঙ্গীকার স্মরণ করিয়ে, আইনে আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের অবহেলা করলে তা ‘অনুশীলন থেকে দূরে’ থাকবে।

"এ ধরনের কাঠামোতে সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল সরকারের সরাসরি কর্তৃত্বাধীন হয়ে পড়বে এবং আইনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যাখ্যা ও যথেচ্ছ প্রয়োগের ক্ষমতা কাউন্সিলের হাতে চলে যাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (টিআইবি বিবৃতি), চট্টগ্রাম (সেনা কর্মকর্তা আহত)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. ইফতেখারুজ্জামান (টিআইবি নির্বাহী পরিচালক), তারেক রহমান (প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ (সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖