📌 ফরিদপুরে মাদক কারবারের তথ্য পুলিশকে দেওয়ার পরিকল্পিত হত্যার মামলায় নিহত যুবকের স্ত্রীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা দেওয়া হয়েছে। বিচারক মো. শরীফ উদ্দীন রায় ঘোষণা করেছেন
ফরিদপুরে মাদক কারবারের তথ্য পুলিশকে জানানোর পরিকল্পিত হত্যার মামলায় নিহত যুবক হাসান শেখের স্ত্রীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থজরিমানা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারক মো. শরীফ উদ্দীন এই রায় ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদপুরে মাদক কারবারের তথ্য পুলিশকে দেওয়ার পরিকল্পিত হত্যার মামলায় নিহত যুবক হাসান শেখের স্ত্রীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং লাশ গুমের অপরাধে সাত বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়েছে
- 📌 নিহতের স্ত্রী ফরিদা বেগম পলাতক রয়েছেন, অন্য তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন
- 📌 দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদা বেগম (৩৮), শাহজাহান মাতুব্বর (৪৪), ফারুক বিশ্বাস (৪৩) ও চান্দু শেখ (৩০)
- 📌 ২০১৮ সালের ৯ মে রাত সাড়ে ১০টায় হাসান শেখ নিখোঁজ হন, চার দিন পর মরদেহ উদ্ধার করা হয়
📰 বিস্তারিত
ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের হাসান শেখ (৩৫) মাদক কারবারের তথ্য পুলিশকে জানানোর পরিকল্পিত হত্যার মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হন। বিচারক মো. শরীফ উদ্দীন রায় ঘোষণায় বলেন, আসামিরা মাদক কারবারের তথ্য জানার পর হাসান শেখের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
২০১৮ সালের ৯ মে রাত সাড়ে ১০টায় শাহজাহান মাতুব্বরের ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হন হাসান। এরপর তিনি নিখোঁজ হন। চার দিন পর ১৩ মে বিকেল ৪টায় ঝাউখোলা গ্রামের বাসিন্দা আজিজ খানের আখখেত থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বাবা ইমান উদ্দিন শেখ (৭৩) পরদিন ১৪ মে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মিরাজুর রহমান ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর নিহতের স্ত্রীসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা ওই এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং হাসান শেখ তাঁদের সম্পর্কে তথ্য জানতেন। এতে আসামিরা তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
"আসামিরা ওই এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং হাসান শেখ তাঁদের সম্পর্কে তথ্য জানতেন। এতে আসামিরা তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর সদর উপজেলা, কানাইপুর ইউনিয়ন, ঝাউখোলা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক মো. শরীফ উদ্দীন, হাসান শেখ (৩৫), ফরিদা বেগম (৩৮), শাহজাহান মাতুব্বর (৪৪), ফারুক বিশ্বাস (৪৩), চান্দু শেখ (৩০), ইমান উদ্দিন শেখ (৭৩), উপপরিদর্শক মিরাজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৮, ৯ মে, ১৩ মে, ২০ হাজার টাকা, ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৬ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!