📌 উত্তরা পশ্চিম থানায় এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণের মামলায় জামিন পেতে জাল চুক্তিপত্র দেখিয়ে আসামিরা আদালতে জামিন পেয়েছিলেন। কিন্তু পরে চুক্তির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আদালত তাদের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পুলিশ তদন্তে আসামিদের সঙ্গে ভুক্তভোগীর কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়নি
উত্তরা পশ্চিম থানায় এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণের মামলায় কারাগারে থাকা চার আসামি আদালতে জামিন পেতে জাল চুক্তিপত্র দেখিয়ে জামিন পেয়েছিলেন। কিন্তু পরে চুক্তির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আদালত তাদের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। পুলিশের তদন্তে আসামিদের সঙ্গে ভুক্তভোগী আজিবর রহমানের কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাল চুক্তিপত্রে জামিন পেলেও আদালত বাতিল: উত্তরা পশ্চিম থানায় অপহরণ মামলায় আসামিরা জামিন পেতে জাল চুক্তিপত্র দেখিয়ে জামিন পেয়েছিলেন, কিন্তু পরে চুক্তির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আদালত তাদের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
- 📌 পুলিশের তদন্তে কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়নি: আদালত তদন্তের নির্দেশ দিলে পুলিশের তদন্তে আসামিদের সঙ্গে আজিবর রহমানের কোনো ব্যবসায়িক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
- 📌 জাল নথি ব্যবহার ও প্রতারণার অভিযোগে আলাদা মামলা: আসামিরা আদালতে জাল চুক্তিপত্র দেখিয়ে জামিন পাওয়ার পর, জাল নথি তৈরি ও ব্যবহার, আদালতে মিথ্যা তথ্য দেওয়া এবং প্রতারণার অভিযোগে আলাদা মামলা হয়েছে।
- 📌 মুক্তিপণ দাবি ও মারধর: ৫০ বছর বয়সী আজিবর রহমানকে ৯ জুন অপহরণ করে এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। স্বজনেরা ২৫ লাখ টাকা দিলেও মুক্তি না পাওয়ায় আসামিরা আরও টাকা দাবি করে।
📰 বিস্তারিত
৫০ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আজিবর রহমানকে ৯ জুন উত্তরা পশ্চিম থানার ৩ নম্বর সেক্টরে একটি রেস্তোরাঁ থেকে ফেরার পথে সাদা গাড়িতে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অপহরণকারীরা আজিবরকে রাজলক্ষ্মী মার্কেটের সামনে থেকে হালান অটোস্ট্যান্ড এলাকায় নিয়ে যায়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে আজিবরকে উদ্ধার করে। মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছে মো. সজীব মিয়া (২৯), আবদুল আলীম বাবু (৩০), মো. ময়নুদ্দিন (৪০) ও মহিউদ্দিন (৩৬)।
মুক্তিপণ দাবির পরিকল্পনা ছিল। স্বজনেরা ১১ জুন আজিবরের মেসেঞ্জার থেকে স্ত্রীর কাছে ভিডিও কল আসে, যেখানে দেখা যায় অপহরণকারীরা আজিবরকে মারধর করছে। স্বজনেরা টাকা জোগাড় করতে শুরু করে। ১৪ জুন দক্ষিণখান এলাকার ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের একটি হিসাব থেকে ২০ লাখ টাকা এবং আজিবরের ভাগনের চাচাতো ভাই সোহেল রানা নিজের হিসাব থেকে আরও ৫ লাখ টাকা পাঠান। কিন্তু টাকা পাওয়ার পরও অপহরণকারীরা আরও টাকা দাবি করে।
আজিবরকে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও সোনারগাঁসহ বিভিন্ন স্থানে আটকে রাখা হয়েছিল। উদ্ধারের পর তাকে উত্তরা কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। মামলায় ১৫ জুন উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন আজিবরের ভাগন জহুরুল ইসলাম।
"আসামিদের সঙ্গে আমাদের কোনো ব্যবসায়িক চুক্তি ছিল না। জামিন পেতে জাল চুক্তিপত্র দেখানো হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তরা পশ্চিম থানা, ঢাকা; নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও সোনারগাঁ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজিবর রহমান (ভুক্তভোগী), মো. সজীব মিয়া, আবদুল আলীম বাবু, মো. ময়নুদ্দিন, মহিউদ্দিন (আসামি), আইনজীবী শাহ মোহাম্মদ শাহীন হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ জুন (অপহরণ), ৫০ বছর (আজিবরের বয়স), ১১ জুন (মেসেঞ্জার ভিডিও কল), ২৫ লাখ টাকা (মুক্তিপণের অংশ), ২০ লাখ টাকা (ব্যাংক থেকে জমা), ৫ লাখ টাকা (সোহেল রানা), ১৫ জুন (মামলা দায়ের)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!