📌 মাগুরা জেলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মচারী মো. রেজাউল ইসলাম পিৎজা সাংবাদিক এস এম শিমুল রানাকে তথ্য চাওয়ার কারণে পা কেটে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। ঘটনায় জিডি করা হয়েছে এবং অডিওতে অশালীন কথা শোনা যায়
মাগুরা জেলায় একটি সাংবাদিককে তথ্য চাওয়ার কারণে পা কেটে নেওয়ার হুমকি দেওয়া এবং অশালীন ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগে নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মচারী মো. রেজাউল ইসলাম পিৎজা সাংবাদিক এস এম শিমুল রানাকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য জানতে ফোন করার পর হুমকি দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাগুরা সদর থানায় জিডি: সাংবাদিক এস এম শিমুল রানা (দৈনিক মানবকণ্ঠ ও এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি) পা কেটে নেওয়ার হুমকি ও অশালীন ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগে ১৬ সেপ্টেম্বর জিডি করেছেন।
- 📌 হুমকির বিবরণ: কর্মচারী রেজাউল ইসলাম পিৎজা সাংবাদিককে ফোনে তথ্য না দিলে পা কেটে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন এবং মামলা দেওয়ারও হুমকি দিয়েছেন।
- 📌 অডিও রেকর্ডের প্রমাণ: ঘটনার অডিও রেকর্ড সাংবাদিকদের কাছে রয়েছে, যেখানে অশালীন ভাষায় কথা বলার শব্দ শোনা যায়।
- 📌 সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিক্রিয়া: আরটিভি ও আমাদের সময়ের প্রতিনিধি মোখলেসুর রহমান এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা ঘটনাটিকে নিন্দনীয় বলে ঘোষণা করেছেন এবং তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
- 📌 কর্মচারীর দাবি: রেজাউল ইসলাম পিৎজা দাবি করেছেন, সাংবাদিকের সঙ্গে তার কোনো কথা হয়নি এবং অডিও রেকর্ড এআই দিয়ে তৈরী করা।
📰 বিস্তারিত
মাগুরা সদর থানায় ১৬ সেপ্টেম্বর করা জিডিতে সাংবাদিক এস এম শিমুল রানা উল্লেখ করেছেন, তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে একটি অভিযোগের বিষয়ে তথ্য জানতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মচারী মো. রেজাউল ইসলাম পিৎজার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু কর্মচারী রেজাউল ইসলাম তথ্য না দিয়ে সাংবাদিককে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং পা কেটে নেওয়ার হুমকি দেন। সাংবাদিক শিমুল রানা বলেছেন, ‘আমি কোনো ব্যক্তিগত কথা বলিনি, কিন্তু তিনি অভিযোগের বিষয়ে কোনো তথ্য না দিয়ে আমাকে হুমকি-ধমকি দেন। এমনকি পা কেটে নেওয়ার হুমকিও দেন। এতে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
অডিও রেকর্ডের বিষয়ে জানান, ‘একটি অডিও রেকর্ড সাংবাদিকদের কাছে রয়েছে। সেখানে অশালীন ভাষায় কথা বলার বিষয়টি শোনা যায়।’ আরটিভি ও আমাদের সময়ের মাগুরা প্রতিনিধি মোখলেসুর রহমান বলেছেন, ‘একজন সাংবাদিক তাঁর পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে তথ্য জানতে পারেন। তথ্য চাওয়ার কারণে তাঁকে হুমকি বা গালিগালাজ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা সাংবাদিক পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ২৪-এর মাগুরা প্রতিনিধি বলেছেন, ‘একজন সাংবাদিকের সঙ্গে এ ধরনের ভাষায় কথা বলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’ স্টার নিউজের প্রতিনিধি মো. ইউনুস আলী বলেছেন, ‘ঘটনাটি নিন্দনীয়। আমি অডিও রেকর্ডটি শুনেছি। সেখানে অত্যন্ত অশালীন ভাষায় কথা বলার বিষয়টি শোনা যায়।’
"একটি অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানার জন্যই ফোন করেছিলাম। আমি কোনো ধরনের ব্যক্তিগত কথা বলিনি। কিন্তু তিনি অভিযোগের বিষয়ে কোনো তথ্য না দিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেন। এমনকি পা কেটে নেওয়ার হুমকিও দেন।"
মো. রেজাউল ইসলাম পিৎজা বলেছেন, ‘ওই সাংবাদিকের বাড়ি আমার এলাকায়। ওনি এইগুলো কেন করতেছে জানি না। ওনাকে বিএনপির সব নেতারা ফোন করেছে। তারপরও সে থামতেছে না। কল রেকর্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা এআই দিয়ে তৈরী করা। ওই সাংবাদিকের সঙ্গে আমার কোন কথা হয়নি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাগুরা সদর থানা, মাগুরা জেলা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাংবাদিক এস এম শিমুল রানা, মো. রেজাউল ইসলাম পিৎজা, মোখলেসুর রহমান, মো. ইউনুস আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ সেপ্টেম্বর (জিডি তারিখ), ৩ বছর (আশরাফুল), ৩৫ বছর (আকলিমা বেগম), ৮ বছর (সিদরাতুল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!