📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের কলেজছাত্রী নিখোঁজ, পরিবারকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা

চট্টগ্রামের কলেজছাত্রী নিখোঁজ, পরিবারকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের দক্ষিণ হালিশহর এলাকার একটি কলেজের ছাত্রী মিথিলা নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারকে অপহরণকারীরা ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণ করছে

চট্টগ্রামের দক্ষিণ হালিশহর এলাকায় বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী মিথিলা নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারকে অপহরণকারীরা ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে। ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এবং বন্দর থানায় নিখোঁজের জিডি করার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামের দক্ষিণ হালিশহর এলাকার বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী মিথিলা ১৬ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হয়ে যান
  • 📌 অপহরণকারীরা পরিবারকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে, কিন্তু টাকার বিনিময়ে কোথায় মিটিং হবে তা জানানো হয়নি
  • 📌 নিখোঁজের জিডি করার পর অপরিচিত নম্বর থেকে কল করে জিডি তুলে নিতে হুমকি দেওয়া হয়
  • 📌 পুলিশ মিথিলার সন্ধানে কাজ করছে এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণ করছে অপহরণকারীদের কলের
  • 📌 বন্দর থানার কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহিম বলেছেন, পুলিশ মাঠে নেমেছে এবং মুক্তিপণের দাবির বিষয়টি তদন্ত করছে

📰 বিস্তারিত

মিথিলা নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারের কাছে অপহরণকারীরা ফোন ও অনলাইনের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে। তবে কোথায় টাকা দিতে হবে তা জানানো হয়নি। পরিবারের সদস্যরা জানান, মিথিলা ইউনিফর্ম পরে বাসা থেকে বের হয়ে গেলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়।

বন্দর থানায় নিখোঁজের জিডি করার পর অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে এবং জিডি তুলে নিতে হুমকি দেওয়া হয়। মুক্তিপণ না দিলে মেয়ের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীর ভাই হৃদয় বলেন, ‘মিথিলা নিখোঁজ হওয়ার পর আমি বন্দর থানায় জিডি করেছি। পরে আমার মোবাইলফোনে ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপস নামে একটি ভিওআইপি নম্বর থেকে কল আসে এবং জিডি তুলে নিতে বলে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়।’

তদন্ত কর্মকর্তা খায়রুল বাশার সাজিদ জানান, ‘সম্ভাব্য সব ক্লু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে মিথিলাকে খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি। একই সঙ্গে তার পরিবারের কাছে অপহরণকারীদের পক্ষ থেকে করা কলটির ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মিথিলাকে উদ্ধারে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সবধরনের চেষ্টা চালাচ্ছি।’

"শিক্ষার্থী মিথিলা নিখোঁজের জিডি হওয়ার পর থেকেই পুলিশ মাঠে নেমেছে। মুক্তিপণের দাবির বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"
"মিথিলাকে উদ্ধারে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সবধরনের চেষ্টা চালাচ্ছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, দক্ষিণ হালিশহর, বন্দর থানা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিথিলা (নিখোঁজ ছাত্রী), মো. আব্দুর রহিম (ওসি, বন্দর থানা), খায়রুল বাশার সাজিদ (তদন্ত কর্মকর্তা), হৃদয় (ভুক্তভোগীর ভাই)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ টাকা (মুক্তিপণ), ১৬ সেপ্টেম্বর (নিখোঁজের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖