📌 দুদক সাবেক ডিআইজি আতিকা ইসলামের স্বামী ডা. ফারদিন ইসলাম সাগরের ২ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ৭ বছরে ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা আয় করলেও ২ কোটি ৬৩ লাখ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। দুদক সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দিয়েছে
দুদক সাবেক ডিআইজি আতিকা ইসলামের স্বামী ডা. ফারদিন ইসলাম সাগরের সম্পদ পর্যালোচনা করে ২ কোটি টাকার অদ্ভুত হিসাবকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০১৭-১৮ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত ৭ বছরে ডা. ফারদিনের মোট আয় ছিল ১ কোটি ১৬ লাখ ১৯৮ টাকা, কিন্তু তার নামে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৬৩ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ। এই বিশাল পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাবেক ডিআইজি আতিকা ইসলামের স্বামী ডা. ফারদিন ইসলাম সাগরের ২ কোটি টাকার সম্পদকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত হিসেবে চিহ্নিত করেছে দুদক
- 📌 ৭ বছরে (২০১৭-২৪) মোট আয় ১ কোটি ১৬ লাখ ১৯৮ টাকা, কিন্তু অস্থাবর সম্পদ ২ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩০৯ টাকা
- 📌 দুদক সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দিয়েছে আইন ২৬(১) ধারা অনুযায়ী
- 📌 বেনামে আরও সম্পদ থাকার সম্ভাবনা নিয়ে গভীর অনুসন্ধান চালাবে দুদক
- 📌 দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানান, সম্পদের উৎস ব্যাখ্যা করা যায়নি
📰 বিস্তারিত
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭-১৮ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত ডা. ফারদিন ইসলাম সাগরের মোট আয় ছিল ১ কোটি ১৬ লাখ ১৯৮ টাকা। এই সময়ে পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হয়েছিল ৫২ লাখ ১৫ হাজার ৮৮৯ টাকা। আয় থেকে ব্যয় বাদ দিলে তাঁর নিট সঞ্চয় দাঁড়িয়েছে ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩০৯ টাকা। কিন্তু অনুসন্ধানে তাঁর নামে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩০৯ টাকার অস্থাবর সম্পদ। অর্থাৎ বৈধ আয়ের হিসাব অনুযায়ী যতটুকু সম্পদ থাকার কথা, বাস্তবে পাওয়া সম্পদের পরিমাণ তার চেয়ে ২ কোটি টাকা বেশি।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডা. ফারদিন ইসলাম সাগরের নামে ও বেনামে আরও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তাঁর প্রকৃত সম্পদের পরিমাণ এবং সম্পদ অর্জনের অর্থের উৎস আরও গভীরভাবে যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে কমিশন। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার সুপারিশের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬ (১) ধারা অনুযায়ী ডা. ফারদিন ইসলাম সাগরকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সম্পদ বিবরণী পাওয়ার পর তাঁর ঘোষিত সম্পদ, আয়-ব্যয় এবং সম্পদের উৎসের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি না, তা যাচাই করবে দুদক।
দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানান, "আমাদের অনুসন্ধানে এই অতিরিক্ত ২ কোটি টাকার সম্পদের উৎস এখনো সন্তোষজনকভাবে ব্যাখ্যা করা যায়নি। তাই এটিকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিশন।"
"আমাদের অনুসন্ধানে এই অতিরিক্ত ২ কোটি টাকার সম্পদের উৎস এখনো সন্তোষজনকভাবে ব্যাখ্যা করা যায়নি। তাই এটিকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিশন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. ফারদিন ইসলাম সাগর, মো. আকতারুল ইসলাম, আতিকা ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩০৯ টাকা (অস্থাবর সম্পদ), ১ কোটি ১৬ লাখ ১৯৮ টাকা (মোট আয়), ২ কোটি টাকা (অদ্ভুত পার্থক্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!