📌 দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তিনটি প্রতিষ্ঠানের ঋণ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে সালমান এফ রহমানসহ মোট ৬৯ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে। তিন প্রতিষ্ঠানের ঋণের মোট পরিমাণ ১ হাজার ১২১ কোটি টাকা
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানসহ তিনটি প্রতিষ্ঠানের ঋণ আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে মোট ৬৯ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে। সোমবার দুদকের সচিব সাইদুর রহমান খান সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য ঘোষণা করেন। তিনটি প্রতিষ্ঠানের ঋণের মোট পরিমাণ ১ হাজার ১২১ কোটি ৪৯ লাখ টাকারও বেশি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সালমান এফ রহমানসহ মোট ৬৯ জন আসামির বিরুদ্ধে তিনটি মামলা অনুমোদিত
- 📌 তিন প্রতিষ্ঠানের ঋণের মোট পরিমাণ ১ হাজার ১২১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা
- 📌 স্পিংফুল অ্যাপারেলস, আরবান ফ্যাশনস ও মিডওয়েস্ট গার্মেন্টসের বিরুদ্ধে মামলা
- 📌 ব্যাংক থেকে ঋণসুবিধা নিয়ে অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ
- 📌 প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালকদের ব্যবসা পরিচালনার পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও ঋণ দেওয়া হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, স্পিংফুল অ্যাপারেলস, আরবান ফ্যাশনস ও মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস নামে তিনটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের ব্যবসা পরিচালনার পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও তাদের অনুকূলে ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণসুবিধা দেওয়া হয়েছিল। পরে আমদানি-রপ্তানির আড়ালে ভুয়া অ্যাকোমোডেশন বিল তৈরি করে অর্থ স্থানান্তর করা হয়। এভাবে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, তিন প্রতিষ্ঠানের ঋণের মোট পরিমাণ ১ হাজার ১২১ কোটি ৪৯ লাখ ৪ হাজার ৭৫৪ টাকা ৯০ পয়সা। স্পিংফুল অ্যাপারেলসের নামে ১৪১ কোটি ২৮ লাখ ১ হাজার ১৭১ টাকা ২৫ পয়সা, আরবান ফ্যাশনসের নামে ৪১৭ কোটি ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৬ টাকা ৫ পয়সা এবং মিডওয়েস্ট গার্মেন্টসের নামে ৫৬৩ কোটি ১৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫২৭ টাকা ৬০ পয়সা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এই তিনটি মামলায় সালমান এফ রহমানসহ যথাক্রমে ২২, ২২ ও ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মোট আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সালমান এফ রহমান, এ এস এম এফ রহমান, ইকবাল আহমেদ, ওসমান কায়সার চৌধুরী ওরফে ও কে চৌধুরী, এ বি সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ ইকরামুল্লাহ খান, শাহ মঞ্জুরুল হক, রীম এইচ শামসুদ্দোহা, মোহাইমিনুল ইসলাম, কোহিনুর আবেদিন, আবু নাঈম মাহমুদ সালেহিন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান তানভীর, আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান, আহমেদ শাহরিয়ার রহমান, আবদুছ ছালাম আজাদ, আবদুল জব্বার, মিজানুর রহমান, মো. হুমায়ুন কবির টালী, মো. আবদুর রহিম, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এম এম মাহাতাব হোসাইন বাদশা, হেলাল উদ্দিন, সাহিদা রহমান, ইসমাইল হোসেন, মো. শহিদুল হক, মো. মমতাজুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম।
"তিন প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের ব্যবসা পরিচালনার পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও তাদের অনুকূলে বিপুল অঙ্কের ঋণসুবিধা দেওয়া হয়েছিল। পরে আমদানি-রপ্তানির আড়ালে ভুয়া অ্যাকোমোডেশন বিল তৈরি করে অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে। এভাবে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচার করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (দুদক অনুসন্ধান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালমান এফ রহমান, সাইদুর রহমান খান (দুদক সচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৯ জন আসামি, ১ হাজার ১২১ কোটি টাকা ঋণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!