📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুদকের মামলা: রেলওয়ে থেকে ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের পিছনে ১৪ জনের জালিয়াতি

দুদকের মামলা: রেলওয়ে থেকে ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের পিছনে ১৪ জনের জালিয়াতি

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুদক ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে রেলওয়ে থেকে ভুয়া বিলে ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে। আসামিদের মধ্যে রেল কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা এবং সীমান্ত ব্যাংকের কর্মচারী রয়েছেন

দুদক ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে রেলওয়ে থেকে ভুয়া বিলে ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে। চট্টগ্রামে আজ মঙ্গলবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা দায়ের করা হয়। আসামিদের মধ্যে রয়েছে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা এবং সীমান্ত ব্যাংকের কর্মচারী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাত**: রেলওয়ে থেকে ভুয়া বিলে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদক মামলা দায়ের করেছে।
  • 📌 **১৪ আসামি**: রেল কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ খান, সাবেক অডিটর পবন কুমার পালিত, হিসাব কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স পরিদর্শক মুহাম্মদ ইকবালসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
  • 📌 **সীমান্ত ব্যাংকের জালিয়াতি**: সীমান্ত ব্যাংকের সাবেক অফিসার মো. পারভেজ, রিলেশনশিপ ম্যানেজার বিদেশ বড়ুয়া এবং সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক গোলাম মোহাম্মদ ফরহাদ সরওয়ারও আসামি।
  • 📌 **ভুয়া বিলের প্রক্রিয়া**: ‘দি কসমোপলিটন করপোরেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের চারটি বিলের বাইরে অতিরিক্ত ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকার ভুয়া বিল তৈরি করা হয়।
  • 📌 **২০২৩-২০২৪ সালের ঘটনা**: ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।

📰 বিস্তারিত

দুদকের উপপরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন মামলা দায়ের করেন। আসামিদের মধ্যে রয়েছে রেলওয়ের কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ খান, সাবেক অডিটর পবন কুমার পালিত, জুনিয়র অডিটর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান ও খোকন চন্দ্র দে, হিসাব কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেন, হিসাবরক্ষক সৈয়দ মো. সাইফুর রহমান, হিসাব কর্মকর্তা মো. আবু নাছের এবং অফিস সহায়ক মো. মাকসুদুর রহমান। এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স ও বিজ্ঞাপন পরিদর্শক মুহাম্মদ ইকবাল, সাবেক উপকর কর্মকর্তা এম. মনজুর উদ্দিন চৌধুরী ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে আসামি করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর রেলওয়ে থেকে ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকার একটি চেক ইস্যু করা হয়। পরদিন চেকটি সীমান্ত ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখায় ‘দি কসমোপলিটন করপোরেশন’-এর নামে খোলা একটি হিসাবে জমা দেওয়া হয়। পরে পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয়। বিল গ্রহণ ও চেক ইস্যুর প্রক্রিয়ায় নিয়ম অনুসরণ না করা এবং মূল ঠিকাদারের তথ্য যাচাই না করার অভিযোগও আনা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া এবং সীমান্ত ব্যাংকে হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কোহিনুর আক্তার নামের এক নারীর পরিচয় ব্যবহার করা হয়। তবে প্রকৃত কোহিনুর আক্তার নিজেকে শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসা ও ব্যাংক হিসাবের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানান।

"আসামিরা পরস্পরের সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।"

দুদকের উপপরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে কথিত ভুয়া কোহিনুর আক্তার ও সোহাগ আলীর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত চলছে তাদের সম্পর্কে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রিয়াজ উদ্দিন (দুদকের উপপরিচালক), আসামিদের মধ্যে মো. হাবিবুল্লাহ খান, মুহাম্মদ ইকবাল, বিদেশ বড়ুয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা (আত্মসাত), ১৪ জন আসামি, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ঘটনা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖