📌 দুদক আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চার্জশিট অনুমোদন করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে আনিসুল হকের ছোটো ভাইয়ের স্ত্রী, বোনের ছেলে এবং একটি কাজিন। মামলাটি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি দায়ের করা হয়
দুদক আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চার্জশিট অনুমোদন করেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানানো হয়, এই মামলাটি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি ঢাকা-১-এর সজেকায় দায়ের করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চার্জশিট অনুমোদন
- 📌 আনিসুল হকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ২৩টি ব্যাংকে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫২ টাকা জমা ও ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ টাকা উত্তোলনসহ মোট ৭৩৭ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন
- 📌 আনিসুল হকের সহায়তায় সম্পদ পরিচালনা করেছেন তার ছোটো ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হক, বোনের ছেলে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও কাজিন মোহাম্মদ ইকবাল
- 📌 অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫ (২) ধারা ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ও ৪ (৩) ধারায় চার্জশিট প্রদানের সিদ্ধান্ত
📰 বিস্তারিত
দুদক সচিব সাইদুর রহমান জানান, সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অপরাধমূলক অসদাচরণ ও অসাধু উপায়ে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চার্জশিট অনুমোদন করা হয়েছে। তদন্তে উঠে আসে, আনিসুল হকের নামে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকার অবৈধ সম্পদ রয়েছে। এছাড়া তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ২৩টি ব্যাংকে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫২ টাকা জমা এবং ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ টাকা উত্তোলনসহ মোট ৭৩৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, আনিসুল হক তার ছোটো ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হক, বোনের ছেলে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম এবং কাজিন মোহাম্মদ ইকবালের সহায়তায় সম্পদ অর্জন ও পরিচালনা করেছেন। এই তিনজন আনিসুল হককে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে মোট ৮৪ কোটি ৫ লাখ ৭ হাজার ১ টাকার সম্পদ অর্জনে সহায়তা করার অভিযোগে তাদেরকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।
তদন্তে দেখা যায়, ২৯টি ব্যাংকে সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের চেষ্টা করা হয়েছে।
"আসামির নামে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ রয়েছে। এছাড়া ৭৩৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে।" — দুদক সচিব সাইদুর রহমান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সেগুনবাগিচা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনিসুল হক, সাইদুর রহমান, জেবুন্নেসা বেগম হক, শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইকবাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা (অবৈধ সম্পদ), ৭৩৭ কোটি টাকা (সন্দেহজনক লেনদেন), ২৩টি ব্যাংক, ২৯টি ব্যাংক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!