📌 ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে কুচিয়ামোড়া ব্রিজে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সৌদিপ্রবাসী হৃদয় হোসেন (২৫) নিহত হন। পরিবার ও ভ্রমণসঙ্গীদের দাবি, নিজের গতির কারণে নয় বরং পেছন থেকে আসা বেপরোয়া বাইকারদের ধাক্কায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এই দাবিকে সমর্থন করছে
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে কুচিয়ামোড়া ব্রিজের ঢালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সৌদিপ্রবাসী হৃদয় হোসেন (২৫) নিহত হন। পরিবার ও ভ্রমণসঙ্গীদের দাবি, নিজের গতির কারণে নয় বরং পেছন থেকে আসা বেপরোয়া বাইকারদের ধাক্কায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এই দাবিকে সমর্থন করছে। দুর্ঘটনায় আরোহী সাজ্জাদ (২৪) আহত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হৃদয় হোসেন (২৫) ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে কুচিয়ামোড়া ব্রিজে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রসুলপুর-আব্দুল্লাহপুর এলাকার বাসিন্দা এবং সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন।
- 📌 পরিবার ও ভ্রমণসঙ্গীদের দাবি, নিজের গতির কারণে নয় বরং পেছন থেকে আসা বেপরোয়া বাইকারদের ধাক্কায় ঘটনাটি ঘটে। তারা বলেন, হৃদয় স্বাভাবিক গতিতে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন।
- 📌 দুর্ঘটনার সময় হৃদয়ের সাথে ১০ জন ভ্রমণসঙ্গী মোটরসাইকেলে করে মাওয়া থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। পেছন থেকে আসা বাইকারদের গতি ছিল ঘণ্টায় ১৫০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার।
- 📌 পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তারা বেপরোয়া বাইকারদের শনাক্ত ও আটক করার চেষ্টা করছে। মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
- 📌 দুর্ঘটনায় আরোহী সাজ্জাদ (২৪) আহত হন। হাসাড়া হাইওয়ে থানার পুলিশ তদন্ত করছে।
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকামুখী লেনে দুর্ঘটনা ঘটে। হৃদয় হোসেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রসুলপুর-আব্দুল্লাহপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন এবং প্রায় চার মাসের ছুটি নিয়ে দেশে এসেছিলেন। আগামী ৩ তারিখে তিনি সৌদি আরবে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। স্ত্রী ও দেড় বছরের কন্যাসন্তান রেখে গেছেন তিনি।
হৃদয়ের পরিবার ও ভ্রমণসঙ্গীদের দাবি, নিজের গতির কারণে নয় বরং পেছন থেকে আসা বেপরোয়া বাইকারদের ধাক্কায় ঘটনাটি ঘটে। হৃদয়ের বোন মিতু বলেন, ‘আমার ভাই গতির কারণে মারা গেছে—এটা সত্য নয়। আমার বাবা হারা দুই বোনের একমাত্র ভাই ছিল হৃদয়। তিনি এলাকায় নম্র-ভদ্র মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করা হয়েছে। আমরা বিচারের দাবি করছি।’
মিতু আরও বলেন, প্রতি বৃহস্পতিবার এই এলাকায় কিছু উশৃঙ্খল বাইকার সড়কে রেস করে। তাঁদের বেপরোয়া গতির কারণে তাঁর ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। হৃদয়ের ভ্রমণসঙ্গী ইয়াসিন জানান, ঘটনার সময় তাঁরা প্রায় ১০ জন মোটরসাইকেলে করে মাওয়া থেকে ঢাকার দিকে ফিরছিলেন। মাওয়া ঘাটে ইলিশ খেয়ে তাঁরা স্বাভাবিক গতিতে ফিরছিলেন। কুচিয়ামোড়া ব্রিজের ঢালে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি রাইডার গ্রুপ এসে হৃদয়ের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, ‘আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখেছি। সে অন্য একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মারা গেছে। আমরা তদন্ত করে বেপরোয়া ওই বাইকারদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে একটি মামলা হয়েছে।’
"আমার ভাই গতির কারণে মারা গেছে—এটা সত্য নয়। আমার বাবা হারা দুই বোনের একমাত্র ভাই ছিল হৃদয়। তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে, কুচিয়ামোড়া ব্রিজের ঢাল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হৃদয় হোসেন (২৫), সাজ্জাদ (২৪), মিতু (হৃদয়ের বোন), ইয়াসিন (ভ্রমণসঙ্গী), ওসি সোহেল রানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ (হৃদয়ের বয়স), ২৪ (সাজ্জাদের বয়স), ১০ (ভ্রমণসঙ্গী), ১৫০-১৬০ (বাইকারদের গতি কিলোমিটার/ঘণ্টা), ৬:৩০ (ঘটনার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!