📌 মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে মারধর ও অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ডিজিএফআই’র দুই সেনাসদস্যকে সামরিক আদালত দোষী সাব্যস্ত করে ১ বছরের কারাদণ্ড ও চাকরি থেকে বরখাস্তের শাস্তি দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল ঢাকার মোহাম্মদপুর
ঢাকার মোহাম্মদপুরে মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে মারধর ও অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ডিজিএফআই’র দুই সেনাসদস্যকে সামরিক আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছে। সামরিক আদালতের রায় অনুযায়ী প্রত্যেককে ১ বছরের কারাদণ্ড ও চাকরি থেকে বরখাস্তের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। শাস্তি কার্যকর করার জন্য তাদের বেসামরিক কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও মারধর: মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফকে অপহরণ ও মারধরের পাশাপাশি তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ডিজিএফআই’র দুই সেনাসদস্যকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
- 📌 সামরিক আদালতের রায়: সার্জেন্ট আল মামুন ও ল্যান্স কর্পোরাল নুরুজ্জামানকে প্রত্যেককে ১ বছরের কারাদণ্ড ও চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
- 📌 ২৫ অক্টোবর ঘটনাস্থল: ঘটনাটি ঘটে গত ২৫ অক্টোবর ঢাকার শ্যামলী এলাকায়।
- 📌 ৬জন গ্রেফতার: মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ ৬জনকে গ্রেফতার করে, যার মধ্যে ডিজিএফআই’র ২ সদস্য ছিলেন।
- 📌 সামরিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: অভিযুক্ত দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে সামরিক আইন অনুযায়ী তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গত ২৫ অক্টোবর ঢাকার শ্যামলী এলাকায় মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফকে অপহরণ ও মারধর করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ ৬জনকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে ডিজিএফআই’র দুই সেনাসদস্য ছিলেন সার্জেন্ট আল মামুন ও ল্যান্স কর্পোরাল নুরুজ্জামান। পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, তারা ব্যবসায়ীকে মারধর ও অপহরণ করে চাঁদা দাবি করেছিল।
গ্রেফতার হওয়ার পর ডিজিএফআই’র সদরদফতর তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করে। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত দুই সেনাসদস্য সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং বর্তমানে ডিজিএফআইয়ে কর্মরত। আদালতে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত আদালত বা কোর্ট অব ইনকোয়ারি গঠন করে সেনা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযুক্তদের উপস্থিতি জরুরি।
গত ২৭ অক্টোবর ডিজিএফআই’র সদরদফতর তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করে। এরপর সামরিক আদালত তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে এবং দোষী সাব্যস্ত করে ১ বছরের কারাদণ্ড ও চাকরি থেকে বরখাস্তের শাস্তি প্রদান করে। শাস্তি কার্যকর করার জন্য তাদের বেসামরিক কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
"মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে মারধর ও অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ডিজিএফআই’র দুই সেনাসদস্যকে সামরিক আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মোহাম্মদপুর ও শ্যামলী)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সার্জেন্ট আল মামুন, ল্যান্স কর্পোরাল নুরুজ্জামান, মো. শরীফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ টাকা (চাঁদা), ১ বছর (কারাদণ্ড), ৬জন (গ্রেফতার), ২ জন (ডিজিএফআই সদস্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!