📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভাইকে ১৮৫০ শতাংশ জমি হেবা: ডিবি হারুনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগ

ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভাইকে ১৮৫০ শতাংশ জমি হেবা: ডিবি হারুনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগ

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডিবি হারুন অর রশীদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভাই এবিএম শাহারিয়ারের নামে ১৮৫০ শতাংশ জমি হেবা দেন। দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে দু'ভাইয়ের মধ্যে পরস্পর যোগসাজশের তথ্য এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অপব্যবহার। হারুনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং আইনের ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়েছে

সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদ ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের অংশ হিসেবে ভাই এবিএম শাহারিয়ারের নামে ১৮৫০ শতাংশ জমি হেবা দেন। দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে দু'ভাইয়ের মধ্যে পরস্পর যোগসাজশের তথ্য এবং জমির প্রকৃত উৎস গোপন করার চেষ্টা। হারুনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১), ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হারুন অর রশীদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভাই এবিএম শাহারিয়ারের নামে ১৮৫০ শতাংশ জমি হেবা দেন ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট মিঠামইন সাবরেজিস্ট্রি অফিসে।
  • 📌 শাহারিয়ারের নামে ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ৯৭ হাজার ১৮৫ টাকা সম্পদ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে স্থাবর সম্পদের মূল্য ৭ কোটি ৮১ লাখ ৪৪ হাজার ৩০৭ টাকা
  • 📌 শাহারিয়ারের ২০১৯-২০ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত মোট আয় ছিল ৬৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩০৪ টাকা, কিন্তু সম্পদের মূল্য তার জ্ঞাত আয় থেকে ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৫৫ টাকা বেশি।
  • 📌 দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে, হারুন ও শাহারিয়ারের মধ্যে পরস্পর যোগসাজশ এবং সম্পদের প্রকৃত উৎস গোপন করার চেষ্টা।
  • 📌 হারুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১), দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায়।
  • 📌 শাহারিয়ারের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

২০১৬ সালের ২২ আগস্ট মিঠামইন সাবরেজিস্ট্রি অফিসে হেবা দলিলের মাধ্যমে হারুন অর রশীদ তার ভাই এবিএম শাহারিয়ারের নামে ১৮৫০ শতাংশ জমি হেবা দেন। দুদকের তদন্তে জানা যায়, হারুন ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্জিত সম্পদের অংশ হিসেবে এই জমি হেবা করেন। দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে, হারুন ও শাহারিয়ারের মধ্যে পরস্পর যোগসাজশের তথ্য এবং সম্পদের প্রকৃত উৎস গোপন করার চেষ্টা। হারুনের ছোট ভাই শাহারিয়ারের নামে ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ৯৭ হাজার ১৮৫ টাকা সম্পদ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে স্থাবর সম্পদের মূল্য ৭ কোটি ৮১ লাখ ৪৪ হাজার ৩০৭ টাকা। শাহারিয়ারের জমি রয়েছে সাভার, রূপগঞ্জ, গুলশান ও কিশোরগঞ্জে।

দুদকের তদন্তে শাহারিয়ারের ২০১৯-২০ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত মোট আয় ছিল ৬৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩০৪ টাকা। ব্যয় হয়েছে ১৬ লাখ ৪৭ হাজার ১৭৪ টাকা। ফলে সম্পদ অর্জনের বৈধ উৎস ছিল ৪৮ লাখ ৯০ হাজার ১৩০ টাকা। এর বিপরীতে সম্পদের মূল্য তার জ্ঞাত আয় থেকে ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৫৫ টাকা বেশি।

দুদকের তদন্তে বলা হয়েছে, হারুন ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ ভাইকে হেবা করেন এবং তাকে সম্পদ অর্জনে সহযোগিতা করেন। একই সঙ্গে দুই ভাই পরস্পর যোগসাজশে সম্পদের প্রকৃত উৎস গোপন করতে তা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন। চার্জশিটে হারুনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১), ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। শাহারিয়ারের বিরুদ্ধে এসবের পাশাপাশি দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে।

"হারুন ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ ভাইকে হেবা করেন এবং তাকে সম্পদ অর্জনে সহযোগিতা করেন।" — দুদকের তদন্ত প্রতিবেদন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর, মিঠামইন সাবরেজিস্ট্রি অফিস, সাভার, রূপগঞ্জ, গুলশান, কিশোরগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হারুন অর রশীদ, এবিএম শাহারিয়ার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮৫০ শতাংশ জমি, ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ৯৭ হাজার ১৮৫ টাকা সম্পদ, ৬৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩০৪ টাকা আয়, ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৫৫ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖