📌 চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার থেকে ৪০ লাখ ৮০ হাজার পিস জাল সিগারেট স্ট্যাম্প ও প্রসাধনী সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। এনবিআর জানায়, এই চালানে প্রায় ৪৬ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা ছিল। জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে অবৈধ সিগারেট বাজারজাতকরণে সরকার ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা রাজস্ব হারাতে পারত
চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার থেকে ৪০ লাখ ৮০ হাজার পিস জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। এনবিআর জানায়, এই চালানে প্রিন্টিং মেশিনের ভান করে আমদানি করা হয়েছিল। তবে গোয়েন্দা তল্লাশিতে প্রসাধনী সামগ্রী ও জাল স্ট্যাম্পের সন্ধান পাওয়ায় প্রায় ৪৬ কোটি টাকার রাজস্ব ঝুঁকি শনাক্ত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৪০ লাখ ৮০ হাজার পিস জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প
- 📌 চালানটিতে ঘোষণা করা হয়েছিল ‘প্রিন্টিং মেশিন’, কিন্তু তল্লাশিতে সেটি পাওয়া যায়নি
- 📌 জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে অবৈধ সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে সরকার ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা রাজস্ব হারাতে পারত
- 📌 প্রসাধনী সামগ্রীর আমদানির মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির আশঙ্কা
- 📌 গত ৯ আগস্ট চালানটি বন্দরে পৌঁছায়, কিন্তু ৫ নভেম্বর তল্লাশিতে অনিয়মের সন্ধান পাওয়ায় অভিযান শুরু
- 📌 এনবিআর ও চট্টগ্রাম কাস্টমসের যৌথ অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে জাল পণ্য
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার থেকে ৪০ লাখ ৮০ হাজার পিস জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। এনবিআর ও চট্টগ্রাম কাস্টমসের যৌথ তল্লাশিতে এই অনিয়মের সন্ধান পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। চালানটি গত ৯ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। তবে ঘোষণা করা হয়েছিল ‘প্রিন্টিং মেশিন’। সন্দেহজনক মনে হওয়ায় এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখা বিশেষ নজরদারি শুরু করে।
গত ৫ নভেম্বর যৌথ তল্লাশিতে কনটেইনার থেকে কোনো প্রিন্টিং মেশিন পাওয়া যায়নি। এর পরিবর্তে বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী ও জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়। এনবিআর জানায়, এই স্ট্যাম্পগুলো নিম্নস্তরের ২০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটে ব্যবহারের উপযোগী। দেশে একটি প্যাকেট সিগারেটের খুচরা মূল্য ১৩০ টাকা, কিন্তু সরকার প্রতি প্যাকেট থেকে ১০৬ টাকা ৬০ পয়সা রাজস্ব পায়। জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে অবৈধভাবে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করা হলে সরকার প্রায় ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা রাজস্ব হারাতে পারত।
এছাড়া, প্রসাধনী সামগ্রীর আমদানির মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির আশঙ্কা রয়েছে। সব মিলিয়ে চালানটিতে প্রায় ৪৬ কোটি টাকার রাজস্ব ঝুঁকি শনাক্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করা হলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়। একই সঙ্গে বৈধ ব্যবসা পরিচালনাকারী তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে। এতে রাজস্ব ব্যবস্থার পাশাপাশি বৈধ ব্যবসার পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
"আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে পণ্যের ভুল ঘোষণা, শুল্ক-কর ফাঁকি এবং অবৈধ পণ্য বাজারজাতকরণ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও ঝুঁকিভিত্তিক তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এনবিআর কর্মকর্তারা, চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ লাখ ৮০ হাজার পিস জাল স্ট্যাম্প, ৪৬ কোটি টাকা রাজস্ব ঝুঁকি, ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা রাজস্ব ক্ষতি, ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা প্রসাধনী রাজস্ব ফাঁকি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!