📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফারুকী হত্যা মামলায় জেএমবির ৬ সদস্যের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু, পলাতক আসামি ২জন

ফারুকী হত্যা মামলায় জেএমবির ৬ সদস্যের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু, পলাতক আসামি ২জন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার ৯ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ অভিযোগ গঠন করে জেএমবির ৬ সদস্যের বিরুদ্ধে ফারুকী হত্যা মামলায় আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করেছেন। আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেও আদালত অব্যাহতি নামঞ্জুর করে সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে

ঢাকার ৯ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. শহিদুল ইসলাম রোববার (৮ নভেম্বর) ইসলামি বক্তা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা মামলায় জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) এর ছয় সদস্যের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত ছয়জন আসামির মধ্যে দুজন পলাতক অবস্থায় রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬ জন জেএমবি সদস্য অভিযুক্ত: আব্দুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, রিয়াজ ওরফে রিপন, আবু রায়হান মাহমুদ আব্দুল হাদী, হাদিসুর রহমান সাগর, মাহমুদ ইবনে বাশার ও রফিকুল ইসলাম ফারদীন (পলাতক)
  • 📌 ২ জন আসামি পলাতক: মাহমুদ ইবনে বাশার ও রফিকুল ইসলাম ফারদীন
  • 📌 ৬ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণ: আদালত দিন নির্ধারণ করেছে
  • 📌 অভিযোগ গঠন: ২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট রাজাবাজারে নুরুল ইসলাম ফারুকীকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়
  • 📌 মাজার-মতবাদের বিরোধ: নিহত ফারুকী সুফি মতবাদের অনুসারী ছিলেন, আসামিরা জেএমবি মতাদর্শের লোক

📰 বিস্তারিত

আজকের শুনানিতে অভিযোগপত্রে উল্লেখিত ছয়জন আসামির মধ্যে আব্দুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, রিয়াজ ওরফে রিপন ও আবু রায়হান মাহমুদ আব্দুল হাদী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের পক্ষে আইনজীবী জায়েদুর রহমান জাহিদসহ অন্যরা অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। তবে আদালত অব্যাহতি আবেদন নামঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের নির্দেশ দেন। কারাগারে থাকা হাদিসুর রহমান সাগরকে ভার্চ্যুয়ালি উপস্থিত দেখানো হয়। আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেও আদালত অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার জানান, অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ৬ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারের ১৭৪ নম্বর বাসায় নুরুল ইসলাম ফারুকীকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তাঁর বাসা থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়। এই ঘটনায় ফারুকীর ছেলে ফয়সাল ফারুকী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর পুলিশের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার কে এম আবুল কাশেম অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৪ সালের ২৬ আগস্ট সন্ধ্যায় ঢাকার আশুলিয়ায় জঙ্গি নেতা জামাই ফারুকের সহযোগীদের সাথে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। জেএমবি নেতা জামাই ফারুক, মাহমুদ ইবনে বাশার, রতন চৌধুরী ও অন্যান্য জঙ্গিরা পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে নুরুল ইসলাম ফারুকীকে মতাদর্শের পার্থক্যের কারণে তাঁর নিজ বাসায় খুন করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। নিহত ফারুকী একজন সুফি মতবাদের অনুসারী ছিলেন এবং মাজারের অনুসারী লোক ছিলেন। অন্যদিকে আসামিরা জেএমবি মতাদর্শের লোক ছিলেন এবং মাজার স্থাপন ও মাজারে প্রচলিত কার্যক্রমের বিরোধী মতবাদ প্রচার করতেন।

"অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো। আগামী ৬ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।"
"আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার ৯ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত, পূর্ব রাজাবাজার (১৭৪ নম্বর বাসা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুরুল ইসলাম ফারুকী (নিহত), আব্দুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, রিয়াজ ওরফে রিপন, হাদিসুর রহমান সাগর, কে এম আবুল কাশেম (পুলিশ সুপার), ফয়সাল ফারুকী (বাদী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন অভিযুক্ত, ২ জন পলাতক, ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি, ২৭ আগস্ট ২০১৪ (হত্যা), ৬ ডিসেম্বর ২০২৬ (সাক্ষ্য গ্রহণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖