📌 নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) জমি দখলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়রা। সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন মামলা থাকা সত্ত্বেও জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) কর্তৃপক্ষের জমি দখলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়রা। রোববার (৮ নভেম্বর) নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের ৯৩ নম্বর চর সল্লা এলাকায় অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮ নভেম্বর নোয়াখালী সদর উপজেলার চর সল্লা এলাকায় নোবিপ্রবির বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
- 📌 জিয়াউর রহমান শিমুল, আনোয়ারুল হক সেলিম, নুরুল আলম, ফাতেমা বেগম ও বিবি হাজেরাসহ ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, তাদের পৈতৃক জমি অধিগ্রহণের পর জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
- 📌 সুপ্রিম কোর্টে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও জমি দখলের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।
- 📌 জেলা প্রশাসক উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়ে শুনানি করে এবং সুপ্রিম কোর্টের মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়।
- 📌 নোবিপ্রবির রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ একর জমির মধ্যে ১ একর ৩৩ শতাংশ জমির দখল নিয়ে জটিলতা রয়েছে।
- 📌 ২০১৭ সালে গেজেট প্রকাশ ও ২০২১ সালে রিট পিটিশন খারিজ হওয়ার পর জমিতে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে দাবি করা হয়।
- 📌 ক্ষতিপূরণের টাকা সরকারি কোষাগারে জমা রয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
📰 বিস্তারিত
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) জমি দখলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয়রা। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের ৯৩ নম্বর চর সল্লা এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, তাদের পৈতৃক ও খতিয়ানভুক্ত মালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণের পর জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা জানান, এই জমি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় দখলের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জমির বর্তমান অবস্থা বজায় রাখার দাবি জানান তারা।
বক্তারা আরও জানান, জমি নিয়ে তারা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করলে জেলা প্রশাসন উভয় পক্ষকে নোটিশ দিয়ে শুনানি করে। শুনানি শেষে জেলা প্রশাসক সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে যে যার অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ একর জমির মধ্যে ১ একর ৩৩ শতাংশ জমির দখল নিয়ে জটিলতা রয়েছে। তিনি বলেন, সর্বশেষ ২০১৭ সালে গেজেট প্রকাশ এবং ২০২১ সালে রিট পিটিশন খারিজ হওয়ার পর জমিটি নিয়ে আইনগত কোনো বাধা নেই। তিনি আরও জানান, সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে ওই জমিতে একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ওই জমিতে বর্তমানে বসবাস করছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য সরকারি কোষাগারে ক্ষতিপূরণের টাকা জমা রয়েছে। তাঁরা যেকোনো সময় সেই ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করতে পারবেন।
"আমাদের কোনো ধরনের নোটিশ না দিয়ে জমি থেকে উচ্ছেদের জন্য মাইকিং করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। উচ্ছেদ করা হলে আমাদের আশ্রয় নেওয়ার মতো বিকল্প কোনো জায়গা নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী সদর উপজেলা, চর সল্লা, নোয়াখালী ইউনিয়ন
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জিয়াউর রহমান শিমুল, আনোয়ারুল হক সেলিম, নুরুল আলম, ফাতেমা বেগম, বিবি হাজেরা, মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ নভেম্বর, ৯৩ নম্বর, ১০০ একর, ১ একর ৩৩ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!