📌 চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় মাদরাসা শিক্ষিকা নুরুল আলমকে ১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। নুরুল আলম জামায়াতের ওয়ার্ড আমির ছিলেন এবং আগেও ছাত্রীদের সাথে অশোভন আচরণের অভিযোগ ছিল
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় মাদরাসা শিক্ষিকা নুরুল আলমকে ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নুরুল আলমকে আদালতে পাঠিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষিকাকে জামায়াতের রাজনৈতিক পরিচয়ও উল্লেখযোগ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী মাদরাসা শিক্ষিকার যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে জামায়াত নেতা নুরুল আলম (৪০) গ্রেপ্তার
- 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, নুরুল আলম কৌশলে ছাত্রীকে আবাসিক কক্ষে ডেকে নেন এবং সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক স্পর্শ ও শ্লীলতাহানি করেন
- 📌 ছাত্রীর মা পুলিশে মামলা দায়ের করে, পুলিশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন
- 📌 আদালত নুরুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন
- 📌 নুরুল আলম আগেও মাদরাসার একাধিক ছাত্রীর সাথে অশোভন আচরণের অভিযোগ ছিল
- 📌 নুরুল আলম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ওয়ার্ড আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াত নেতা নুরুল আলম (৪০)কে মাদরাসা শিক্ষিকার যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নুরুল আলম মাদিনাতুল উলুম মহিলা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও শিক্ষক ছিলেন। গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় মাদরাসার আবাসিক কক্ষে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার বাদী ও ছাত্রীর মায়ের অভিযোগ অনুযায়ী, নুরুল আলম কৌশলে ছাত্রীকে আবাসিক কক্ষে ডেকে নেন এবং সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক স্পর্শ ও শ্লীলতাহানি করেন। পরে ছাত্রী কান্নাকাটি করে মাকে বিষয়টি জানায়। পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে ছাত্রীর মা পুলিশে মামলা করেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ছাত্রীর মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে।
নুরুল আলমকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়। শুনানির পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এছাড়াও, নুরুল আলমের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানা গেছে যে, তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওই ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
"পড়ালেখার সময় নুরুল আলম কৌশলে তার মেয়েকে আবাসিক কক্ষে ডেকে নেন। সেখানে তিনি ওই ছাত্রীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক স্পর্শ ও শ্লীলতাহানি করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁদপুর, কচুয়া উপজেলা, আশ্রাফপুর ইউনিয়ন, চক্রা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুরুল আলম (৪০), মাদরাসা শিক্ষিকা (১৩ বছর বয়সী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর (ছাত্রীর বয়স), ৪০ বছর (নুরুল আলমের বয়স), ৫ নম্বর ওয়ার্ড, ১৩ সেপ্টেম্বর, ১১ টা সাড়ে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!