📌 অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগে টাঙ্গাইলের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। এজেন্টদের সিম সংগ্রহ করে জুয়ার ওয়েবসাইটের অ্যাডমিনদের কাছে সরবরাহ করা হতো, যেখানে অর্থের বিনিময়ে এজেন্টরা কমিশন পেয়ে বাকি টাকা বিদেশে পাচার করতেন। মামলায় এ পর্যন্ত ১০ জনেরও বেশি গ্রেপ্তার হয়েছে
অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অবৈধ অর্থ পাচারের অভিযোগে টাঙ্গাইলের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল রোববার রাতে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাবলু মিয়া (২৮), মনির হোসেন (৩০), নূর সাফায়েত ইপ্তি (২৪) ও শামীম আল মামুন (২৯)কে গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডি জানায়, এজেন্টদের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইটে সিম সংগ্রহ করে অর্থ পাচার করা হতো।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টাঙ্গাইলের চারজন (বাবলু মিয়া, মনির হোসেন, নূর সাফায়েত, শামীম আল মামুন) গ্রেপ্তার: অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগে
- 📌 অর্থের বিনিময়ে এজেন্ট সিম সংগ্রহ করে জুয়ার ওয়েবসাইটের অ্যাডমিনদের কাছে সরবরাহ করা হতো
- 📌 ১৭ মে থেকে মামলা করা হয়, এ পর্যন্ত ১০ জনেরও বেশি গ্রেপ্তার হয়েছে
- 📌 জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ থেকে এজেন্টরা কমিশন পেয়ে বাকি টাকা ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করে বিদেশে পাচার করা হতো
- 📌 সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার তদন্ত করছে, অভিযান অব্যাহত রয়েছে
📰 বিস্তারিত
সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচারের চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় এজেন্ট নিয়োগ করে পরিচালিত হতো। এজেন্টদের এমএফএস ও ব্যাংক হিসাব সংগ্রহ করে বেটিং সাইটে যুক্ত করা হতো। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, ফুটবলসহ অন্যান্য খেলা এবং অনলাইন ক্যাসিনোকে কেন্দ্র করে টাকার বিনিময়ে এসব জুয়া পরিচালিত হতো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব জুয়ার চটকদার বিজ্ঞাপনও প্রচার করা হতো।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন, তারা অর্থের বিনিময়ে এজেন্ট সিম সংগ্রহ করে জুয়ার ওয়েবসাইটের অ্যাডমিনদের কাছে সরবরাহ করতেন। এসব সিম মূলত জুয়ার অর্থ জমা ও উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত হতো। সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার সাইবার নজরদারি করে এই চক্রের তথ্য শনাক্ত করে। গত ১৭ মে থেকে মামলা করা হয়, এবং এ পর্যন্ত মোট ১০ জনেরও বেশি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ১০ জনের মধ্যে রয়েছে: মো. সোলায়মান, মো. সাগর মিয়া, মো. জুয়েল রানা (৭ জুন টাঙ্গাইল), মো. রায়হান খান, মো. পাভেল রহমান ভূঁইয়া, আবু জোবায়ের সানিক (১৬ জুন নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ), মো. জসিম উদ্দীন, সুমন রায় (১২ জুলাই নড়াইল), এবং সৈয়দ জামান ও রুহুল কুদ্দুস ওরফে বাপ্পী (১৯ আগস্ট রাজশাহী)।
"অর্থের বিনিময়ে এজেন্ট সিম সংগ্রহ করে জুয়ার ওয়েবসাইটের অ্যাডমিনদের কাছে সরবরাহ করা হতো। এজেন্টরা কমিশন পেয়ে বাকি টাকা বিদেশে পাচার করতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, সখীপুর উপজেলা, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাবলু মিয়া (২৮), মনির হোসেন (৩০), নূর সাফায়েত ইপ্তি (২৪), শামীম আল মামুন (২৯)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জনেরও বেশি গ্রেপ্তার, ১৭ মে মামলা করা, ২৮-৩০ বছর বয়সী ৪ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!