📌 চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানি করে জামায়াত নেতা মো. নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও শিক্ষক ছিলেন। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানি করে জামায়াত নেতা মো. নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় মাদ্রাসার আবাসিক কক্ষে হয়রানি করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, নুরুল আলম কৌশলে ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে অশ্লীল স্পর্শ ও শ্লীলতাহানি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি করে জামায়াত নেতা মো. নুরুল আলম (৪০) গ্রেপ্তার
- 📌 নুরুল আলম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও শিক্ষক ছিলেন, তিনি আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির
- 📌 ১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় মাদ্রাসার আবাসিক কক্ষে হয়রানি করা হয়
- 📌 মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে
- 📌 নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়, আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন
📰 বিস্তারিত
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের চক্রা গ্রামের ‘মদিনাতুল উলুম মহিলা মাদ্রাসা’র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও শিক্ষক মো. নুরুল আলম (৪০)কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। নুরুল আলম আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় মাদ্রাসার আবাসিক কক্ষে ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানি করা হয়।
মামলার বাদী ও ছাত্রীর মা আনোয়ারা বেগমের অভিযোগ, নুরুল আলম পড়ালেখার সময় ছাত্রীকে কৌশলে আবাসিক কক্ষে ডেকে নিয়ে অশ্লীল স্পর্শ ও শ্লীলতাহানি করেছেন। পরে ছাত্রী কান্নাকাটি করতে করতে বিষয়টি তার মায়ের কাছে জানায়। পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে মা আনোয়ারা বেগম কচুয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, নুরুল আলম এর আগেও মাদ্রাসার একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ছাত্রীর মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ১০ ধারায় মামলা করা হয়েছে। নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে, নুরুল আলমের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানা গেছে, তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
"পড়ালেখার সময় নুরুল আলম কৌশলে তার মেয়েকে আবাসিক কক্ষে ডেকে নেন। সেখানে তিনি ওই ছাত্রীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক স্পর্শ ও শ্লীলতাহানি করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁদপুর, কচুয়া উপজেলা, আশ্রাফপুর ইউনিয়ন, চক্রা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নুরুল আলম (৪০), আনোয়ারা বেগম, ১৩ বছর বয়সী মাদ্রাসা শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর (ছাত্রীর বয়স), ৪০ বছর (নুরুল আলমের বয়স), ৫ নম্বর ওয়ার্ড, ১৩ সেপ্টেম্বর, ১১ টা সাড়ে, ১০ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!