📌 বরিশালের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে শ্যালিকার সঙ্গে সম্পর্কের জেরে স্ত্রী হত্যার মামলায় প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং হোটেল ম্যানেজার আবদুল মালেককে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি
১৬ বছর পর বিচার ট্রাইব্যুনালের রায়ে শ্যালিকার সঙ্গে সম্পর্কের জেরে স্ত্রী হত্যার মামলায় প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং হোটেল ম্যানেজারকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বরিশালের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসতাক আহমেদ সোমবার এই রায় ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জহিরুল ইসলাম (সাবেক এলজিইডি প্রকৌশলী)কে স্ত্রী হত্যার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
- 📌 হোটেল ম্যানেজার আবদুল মালেককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
- 📌 ঘটনা ঘটেছিল ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বরিশালের হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনালে
- 📌 মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর রায় ঘোষণা
- 📌 বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন মিজান বলেন, শ্যালিকার সঙ্গে সম্পর্কের জেরে ঘটনা ঘটে
📰 বিস্তারিত
বরিশালের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সোমবার সকালে রায় ঘোষণা করা হয়। বিচারক মোসতাক আহমেদের রায়ে সাবেক প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং হোটেল ম্যানেজার আবদুল মালেককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর রোডে হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনালের পঞ্চম তলার একটি কক্ষে।
মামলায় বাদী ছিলেন নিহত নাজমা জহির শোভার বোন নিলুফা আইরিন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জহিরুল ইসলামের স্ত্রী নাজমা জহির শোভাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। ঘটনার পর পুলিশ জহিরুল ইসলাম এবং হোটেল ম্যানেজার আবদুল মালেককে গ্রেপ্তার করে। আদালতে গ্রেপ্তারীরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন মিজান বলেন, নাজমা জহির শোভার ছোট বোনের সঙ্গে জহিরুল ইসলামের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এই সম্পর্কের জেরে ঘটনাটি ঘটে। তিনি বরিশাল এলজিইডির প্রকৌশলী ছিলেন। ঘটনার পর জহিরুল ইসলামকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মহাসিন মন্টু জানান, মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করা হয়েছে। বাদী পক্ষের আইনজীবী আরও বলেন, রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অপর দিকে, পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর শাহবাগ, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় পাঁচজন ভবঘুরে নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের কারও নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
"নিহত নাজমা জহির শোভার ছোট বোনের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল জহিরুল ইসলামের। ওই সময় তিনি বরিশাল এলজিইডির প্রকৌশলী ছিলেন। পরকীয়ার বিষয়টি জেনে ফেলায় ঘটনার দিন স্ত্রী শোভাকে নগরীর সদর রোডে হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনালে পঞ্চম তলার একটি কক্ষে নিয়ে ছুরি দিয়ে জবাই করে হত্যা করেন স্বামী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল সদর রোড, হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনাল (পঞ্চম তলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহিরুল ইসলাম, আবদুল মালেক, নিলুফা আইরিন, মো. আনোয়ার হোসেন মিজান, মহাসিন মন্টু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর (বিচার সময়), ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ (ঘটনার তারিখ), ১৩ জন সাক্ষী (মোট), ১০ জন সাক্ষী (গ্রহণ করা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!