📌 বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতি নতুন জেলা জজ মনিরুজ্জামানের পদায়ন বাতিলের দাবি জানিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের 'আজ্ঞাবহ বিচারক' হিসেবে পরিচিত মনিরুজ্জামানের পদায়ন রাজনৈতিক প্রভাবের ফল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। দাবি না পূরণে আইনজীবীরা আদালত বর্জনসহ আন্দোলন ঘোষণা করেছেন
বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতি নতুন জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়ন হওয়া মো. মনিরুজ্জামানের পদায়নের প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবি জানিয়েছে। শুক্রবার সাড়ে একটার দিকে জেলা জজ আদালতের গওহর আলী ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি তুলে ধরা হয়। আইনজীবী সমিতির নেতারা দাবি না পূরণে আদালত বর্জনসহ কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতি নতুন জেলা জজ মনিরুজ্জামানের পদায়ন বাতিলের দাবি জানিয়েছে
- 📌 ১৫ সেপ্টেম্বর আপত্তি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছিল, কিন্তু ১৭ সেপ্টেম্বর পদায়ন করা হয়
- 📌 মনিরুজ্জামানকে আওয়ামী লীগ সরকারের 'আজ্ঞাবহ বিচারক' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে, পাবনা সংসদ সদস্যের আত্মীয় হওয়ায় পদায়নে রাজনৈতিক প্রভাবের দাবি
- 📌 আইনজীবী সমিতির সভাপতি শেখ মো. রেজাউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন
- 📌 দাবি না পূরণে আইনজীবীরা জরুরি সভা ডেকে আদালত বর্জনসহ আন্দোলন ঘোষণা করবেন
📰 বিস্তারিত
বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস বার সমিতি আজ শুক্রবার সাড়ে একটার দিকে জেলা জজ আদালতের গওহর আলী ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়ন হওয়া মো. মনিরুজ্জামানের পদায়নের প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবি জানিয়েছে। আইনজীবী সমিতির নেতারা দাবি না পূরণে আদালত বর্জনসহ কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
মনিরুজ্জামান আগে বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিগত আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের ‘আজ্ঞাবহ বিচারক’ হিসেবে বগুড়ায় পরিচিত ছিলেন। বগুড়ায় তাঁর পদায়নের খবরে ১৫ সেপ্টেম্বর আপত্তি জানিয়ে সমিতির পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়। কিন্তু আপত্তি উপেক্ষা করে ১৭ সেপ্টেম্বর তাঁকে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এর আগে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল–৫–এর বিচারক ছিলেন মনিরুজ্জামান।
সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবী সমিতির সভাপতি শেখ মো. রেজাউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তাঁরা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আইনজীবী ও কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে তৎকালীন জেলা ও দায়রা জজ এ কে এম মোজাম্মেল হক চৌধুরী ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামানকে বগুড়া থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। পরে অন্তর্বর্তী সরকার মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, মনিরুজ্জামান আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের সময় বগুড়ার আদালতে ‘অত্যন্ত আজ্ঞাবহ বিচারক’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পাবনা থেকে নির্বাচিত বিএনপির এক প্রভাবশালী সংসদ সদস্যের আত্মীয় হওয়ায় তাঁর পদায়নে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো নথি বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য তুলে ধরা হয়নি।
"আমরা মনিরুজ্জামানের পদায়ন বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। দাবি না পূরণে আইনজীবীরা জরুরি সভা ডেকে আদালত বর্জনসহ কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া জেলা জজ আদালত, গওহর আলী ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মনিরুজ্জামান, শেখ মো. রেজাউর রহমান, রফিকুল ইসলাম, এ কে এম মোজাম্মেল হক চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সেপ্টেম্বর (আপত্তি), ১৭ সেপ্টেম্বর (পদায়ন), ৫ আগস্ট ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!