📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাতক্ষীরা ব্লিস হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার এলাকায় আবার আগুন: রোগী-স্বজন আতঙ্কিত, ৪২ দিনে দ্বিতীয়বার ঘটনা

সাতক্ষীরা ব্লিস হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার এলাকায় আবার আগুন: রোগী-স্বজন আতঙ্কিত, ৪২ দিনে দ্বিতীয়বার ঘটনা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাতক্ষীরার ব্লিস হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত ১১টায় অক্সিজেন সিলিন্ডার এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ৪২ দিন আগের ঘটনার একই স্থানে আগুন লেগে রোগী ও স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে বেরিয়ে পড়েন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা কারিগরি ত্রুটির সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন

সাতক্ষীরার চৌরঙ্গী মোড়ে অবস্থিত বেসরকারি ব্লিস হাসপাতালে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টায় অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখার স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত ৪ আগস্টের ঘটনার ৪২ দিন পর এই দ্বিতীয়বার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যা রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। আগুনের চেয়ে ধোঁয়াই বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ১১টায় সাতক্ষীরার ব্লিস হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যা গত ৪ আগস্টের ঘটনার একই স্থানে সংঘটিত হয়েছে
  • 📌 ৪২ দিনের ব্যবধানে একই হাসপাতালে একই স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন তুলেছে হাসপাতালের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে
  • 📌 রোগী ও স্বজনরা ধোঁয়ায় ভীত হয়ে তাড়াহুড়া করে নিচে নামতে শুরু করেন, কিছু রোগীকে কোলে করে বা একাধিকজন মিলে নিচে নামিয়ে আনা হয়
  • 📌 ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম বলেছেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে অক্সিজেনের চাপ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে এবং পাইপ ফেটে আগুন লাগতে পারে
  • 📌 সাংবাদিকদের প্রথমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভেতরে প্রবেশে বাধা দেন, যা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে সাতক্ষীরার ব্লিস হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখার স্থানে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের চেয়ে ধোঁয়াই বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের নার্সরা দ্রুত রোগীদের বের হওয়ার নির্দেশ দেন। রোগীদের স্বজনরা অসুস্থ অবস্থায় তাদের কোলে করে বা একাধিকজন মিলে নিচে নামিয়ে আনেন।

হাসপাতালের পাশের বাসিন্দা মো. ইদ্রিস আলী ময়না বলেন, তিনি এক বন্ধুর সঙ্গে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। হঠাৎ জোরে শব্দ শুনে হাসপাতালের দিকে তাকিয়ে দেখেন, নিচের দিকে ধোঁয়ায় ভরে গেছে। তিনি বলেন, “আমার বাসা পাশে। কয়েকদিন আগে এখান থেকে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা তো বউ-ছেলেপেলে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এটা কীভাবে সমাধান হয়, সমাধানের পথ বের করতে হবে, যাতে আমরা ছেলেমেয়ে নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারি। এখানে কয়েকদিন পরপর এই পরিস্থিতি হচ্ছে। এটা নিয়ে আমরা আতঙ্কিত।”

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. নুরুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, আগে যেখানে অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখা ছিল, সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সংবাদ পাই ব্লিস হাসপাতালে আবারও আগুন লেগেছে। সংবাদ পাওয়ার মাত্রই এখানে আসি। উপস্থিত হয়ে দেখি, যেখানটায় অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিল, ওই জায়গা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গতদিন যেখানে সূত্রপাত ছিল, আজকেও একই জায়গায়। প্রথমে আমরা নিচে ঢুকে দেখি ধোঁয়ায় ভরা। পরে ভেতরে গিয়ে দেখি আগুন ছিল। আগুনটা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়েছে। ধোঁয়ার কারণে রোগী ও স্বজনরা ভীত হয়ে তাড়াহুড়া করে নিচে নামছিলেন। একসঙ্গে অনেক রোগী নামতে গেলে হুড়োহুড়িতে আহত হওয়ার আশঙ্কাও ছিল।

এই ঘটনার পর রোগীদের স্বজন মতিয়ার রহমান বলেন, “আমরা রাতে খেয়ে রোগীকে ওষুধ খাওয়ানোর পর বসে ছিলাম। এরই মধ্যে নার্স এসে বলল, জিনিসপত্র থাক, মোবাইলটা নেন, দ্রুত বের হয়ে আসেন। ছয়তলায় সমস্যা হয়েছে। আমরা আস্তে আস্তে রোগী নিয়ে বের হয়ে আসলাম। বলল আগুন লেগেছে। নিচে এসে দেখলাম শুধু ধোঁয়া। আমরা খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম। আরেক রোগীর স্বজন জানান, হাসপাতালে আগের দিনই একজনের সিজার হয়েছিল। রাতে হঠাৎ আগুনের খবর পেয়ে নার্সরা সবাইকে দ্রুত নিচে নেমে আসতে বলেন। তিনি বলেন, যে যেভাবে আছো নেমে এসো—এমন কথা বলা হচ্ছিল। ৮-১০ জন ধরে রোগী নিচে নিয়ে আসতে আসতে আমাদের জীবন শেষ। সবাই বলছে আগুন লাগছে, চিল্লাচিল্লি করছে, নার্সরাও আতঙ্কিত। আমাদের রোগীকে পরে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”

"আমরা তো বউ-ছেলেপেলে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এটা কীভাবে সমাধান হয়, সমাধানের পথ বের করতে হবে, যাতে আমরা ছেলেমেয়ে নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাতক্ষীরা, চৌরঙ্গী মোড়, ব্লিস হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মতিয়ার রহমান, মো. ইদ্রিস আলী ময়না, মো. নুরুল ইসলাম, নার্সরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২ দিন, ১৫ সেপ্টেম্বর, ১১ টা, ৮-১০ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖