📌 ইয়েমেনের সরকারপন্থী বাহিনী হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সানা পুনর্দখলের অভিযান শুরু করেছে। আল-বায়দা ও আল-জাওফ প্রদেশে সংঘর্ষে ৯০০-এরও বেশি মানুষ নিহত বা আহত হয়েছে। হুতিরা সানা থেকে বেরিয়ে পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ ও হোদেইদাহ দখল করার চেষ্টা করছে
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনী হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সানা পুনর্দখলের লড়াই শুরু করেছে। গত সোমবার আল-বায়দা ও আল-জাওফ প্রদেশে সংঘর্ষ তীব্র হয়ে উঠেছে, যেখানে এই দুই এলাকা রাজধানী সানার প্রধান প্রবেশপথ হিসেবে কাজ করে। এই অভিযানের লক্ষ্য হুতি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে সানা পুনরুদ্ধার করা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইয়েমেনের সরকারপন্থী বাহিনী সানা পুনর্দখলের লড়াই শুরু করেছে, হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
- 📌 আল-জাওফ ও আল-বায়দা প্রদেশে সংঘর্ষে ৯০০-এরও বেশি মানুষ নিহত বা আহত হয়েছে, যার মধ্যে তাইজ ও পশ্চিম উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সংখ্যা বেশি।
- 📌 হুতিরা সানা থেকে বেরিয়ে পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় হোদেইদাহ দখল করার চেষ্টা করছে, লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে।
- 📌 ইয়েমেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী সামির আল-সাবরি বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হুতি বিদ্রোহীদের ‘কবজা থেকে ইয়েমেনকে মুক্ত করা’ এবং সানাকে ‘সব ইয়েমেনির রাজধানী’ হিসেবে পুনরুদ্ধার করা।
- 📌 সরকারি মুখপাত্র মাজিদ আল-নুজাইলি সানার দিকে যাওয়ার প্রধান সড়কগুলো এড়িয়ে চলার সতর্কতা জারি করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে মারিব, সিরওয়াহ, মাহলিয়াহ ও আল-হাজম হয়ে যাওয়া রুট।
- 📌 ইরান-সমর্থিত হুতিরা আল-হাজম শহরের কারাগারে হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে।
- 📌 ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইয়েমেনে সংঘটিত সবচেয়ে তীব্র সংঘর্ষের মধ্যে এটি একটি।
- 📌 সৌদি আরবের নেতৃত্বে গঠিত সামরিক জোটের সাথে ইরানের সমর্থনপ্রাপ্ত হুতি বিদ্রোহীরা ২০১৪ সাল থেকে ইয়েমেনে লড়াই করছে।
📰 বিস্তারিত
ইয়েমেনের সরকারপন্থী বাহিনী হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সানা পুনর্দখলের লড়াই শুরু করেছে। গতকাল সোমবার আল-বায়দা ও আল-জাওফ প্রদেশে সংঘর্ষ তীব্র হয়ে উঠেছে। এই দুই এলাকা রাজধানী সানার প্রধান প্রবেশপথ হিসেবে বিবেচিত। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য হুতি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে সানা পুনর্দখল করা। ইয়েমেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেজর জেনারেল সামির আল-সাবরি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছেন, “আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং সৌদি আরব-সমর্থিত সরকার সানা পুনর্দখলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
গভর্নমেন্টের মুখপাত্র মাজিদ আল-নুজাইলি বলেছেন, এই অভিযানের লক্ষ্য হলো হুতিদের ‘কবজা থেকে ইয়েমেনকে মুক্ত করা’ এবং ‘সানাকে সব ইয়েমেনির রাজধানী হিসেবে পুনরুদ্ধার করা’। তিনি সানার দিকে যাওয়ার প্রধান সড়কগুলো এড়িয়ে চলার সতর্কতা জারি করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে মারিব, সিরওয়াহ, মাহলিয়াহ ও আল-হাজম হয়ে যাওয়া রুট।
হুতি বিদ্রোহীরা সানা থেকে বেরিয়ে পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় হোদেইদাহ দখল করার চেষ্টা করছে। তাদের লক্ষ্য ছিল বন্দরনগরী আল-মাখা এবং লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা। ইরান-সমর্থিত হুতিরা আল-হাজম শহরের কারাগারে হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে ইয়েমেনে প্রায় ৯০০ মানুষ নিহত বা আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই তাইজ এবং পশ্চিম উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা। শুধু তাইজ থেকেই আনুমানিক ২১ হাজার মানুষ, অর্থাৎ প্রায় ৩ হাজার পরিবার, বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
"আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং সৌদি আরব-সমর্থিত সরকার সানা ‘পুনর্দখলের’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।"
"এই অভিযানের লক্ষ্য হলো হুতিদের ‘কবজা থেকে ইয়েমেনকে মুক্ত করা’ এবং ‘সানাকে সব ইয়েমেনির রাজধানী হিসেবে পুনরুদ্ধার করা’।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইয়েমেন (সানা, আল-বায়দা, আল-জাওফ, তাইজ, হোদেইদাহ, আল-হাজম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর জেনারেল সামির আল-সাবরি, মাজিদ আল-নুজাইলি, হুতি বিদ্রোহীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০০+ মানুষ নিহত/আহত, ২১ হাজার বাস্তুচ্যুত, ৩ হাজার পরিবার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!