📌 ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূল দখল করে নেওয়ার ফলে ১ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের হুথিরা ইয়েমেনের লাল সাগরের উপকূল দখল করে নেওয়ার ফলে হাজার হাজার মানুষ ডিজিবুতিতে আশ্রয় নিচ্ছেন। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের জন্য ১৪ মিলিয়ন ডলার তহবিলের প্রয়োজন।
ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূল দখল করে নেওয়ার ফলে ১ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, দ্রুততর হোতলাসের কারণে ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে হাজার হাজার মানুষ বিপজ্জনক সাগরপথ পার হয়ে ডিজিবুতিতে আশ্রয় নিচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত**: ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের লাল সাগরের উপকূল দখল করে নেওয়ার ফলে ১ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
- 📌 **হাজার হাজার শরণার্থী ডিজিবুতিতে**: গত চার দিনে ২,৪০০-এরও বেশি মানুষ সাগরপথ পার করে ডিজিবুতিতে আশ্রয় নেয়।
- 📌 **১৪ মিলিয়ন ডলার তহবিলের প্রয়োজন**: ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের জন্য ১৪ মিলিয়ন ডলার তহবিলের প্রয়োজন।
- 📌 **সোমালি ও ইথিওপিয়ান শরণার্থীরা বিপদে**: ইয়েমেনে ৬৫,০০০-এরও বেশি সোমালি ও ইথিওপিয়ান শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী বিপদে পড়েছেন।
- 📌 **হুথিরা দখল করে নেয় লাল সাগরের উপকূল**: হুথিরা ইয়েমেনের লাল সাগরের উপকূল দখল করে নেওয়ার ফলে বাব আল-মন্দেব স্ট্রেটের গুরুত্ব বাড়ছে।
📰 বিস্তারিত
ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, দ্রুততর হোতলাসের কারণে ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে বসবাসরত লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে হাজার হাজার মানুষ বিপজ্জনক সাগরপথ পার হয়ে ডিজিবুতিতে আশ্রয় নিচ্ছেন। ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের জন্য ১৪ মিলিয়ন ডলার তহবিলের প্রয়োজন। এছাড়াও, ডিজিবুতিতে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তা প্রয়োজন।
ইয়েমেনের লাল সাগরের উপকূল দখল করে নেওয়ার ফলে বাব আল-মন্দেব স্ট্রেটের গুরুত্ব বাড়ছে। এই স্ট্রেটটি লাল সাগর ও গলফ অফ এডেনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরান বিরোধী যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বাব আল-মন্দেব স্ট্রেটটি একটি বিকল্প সমুদ্রপথ হিসেবে গুরুত্ব পেয়েছে।
ইয়েমেনের মোচা শহরের নিকটবর্তী গ্রাম থেকে বাস্তুচ্যুত মহিলা আইশা মুহাম্মদ জানিয়েছেন, তার পাঁচ ছেলেমেয়ে গ্রামে ফিরে যেতে পারছেন না। তিনি বলেছেন, “তারা ব্লক হয়ে গেছে এবং গুলি করা হচ্ছে, তাই তারা ঘরে বন্দি। তারা শুধু চাল খেয়ে থাকেন, রুটি বা অন্য কিছু নেই। আমার কন্যারা আমাকে বলছিলেন যে তারা আমাদের সাথে যেতে চায়, কিন্তু এখন এটি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।”
হুডাইদাহের বাস্তুচ্যুত হুসেইন হায়দারা বলেছেন, তিনি পরিবারের সাথে তাড়াহুড়ো করে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, “তুমি শুধু তোমার বাচ্চাদের নিয়ে এবং কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে যেতে পারো। তুমি শেলিং এবং স্নাইপার ফায়ারের ভয়ে ভীত হয়ে পালাতে বাধ্য হয়েছ। তুমি শুধু তাড়াহুড়ো করে পালাতে পারো, কারণ তোমার বাচ্চাদের ও পরিবারের জন্য ভয় আছে।”
"তারা শুধু চাল খেয়ে থাকেন, রুটি বা অন্য কিছু নেই। আমার কন্যারা আমাকে বলছিলেন যে তারা আমাদের সাথে যেতে চায়, কিন্তু এখন এটি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইয়েমেন (পশ্চিম উপকূল), ডিজিবুতি (বাব আল-মন্দেব স্ট্রেট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইশা মুহাম্মদ, হুসেইন হায়দারা, সান্দ্রিন ডেসামুর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০,০০০+ বাস্তুচ্যুত, ২,৪০০ শরণার্থী ডিজিবুতিতে, ৬৫,০০০ সোমালি-ইথিওপিয়ান শরণার্থী, ১৪ মিলিয়ন ডলার তহবিলের প্রয়োজন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!