📌 যুক্তরাষ্ট্রের হার্ট অ্যারোস্পেস নির্মিত বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাটারিচালিত বিমান এক্স১ প্রথম সফল উড্ডয়ন সম্পন্ন করেছে। ৩০ আসন বিশিষ্ট এই বিমানটি নিউইয়র্ক থেকে ব্যাটারির শক্তিতে ২৭ মিনিট আকাশে উড়ে বৈদ্যুতিক বিমান যুগের সূচনা করেছে
যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হার্ট অ্যারোস্পেস তাদের নির্মিত বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাটারিচালিত বিমান এক্স১-এর প্রথম সফল উড্ডয়নের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক বিমান প্রযুক্তিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করেছে। নিউইয়র্কের একটি আঞ্চলিক বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত এই পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে বিমানটি ব্যাটারির শক্তিতে মাটি থেকে ১ হাজার ১০০ ফুট উচ্চতায় উড়ে টানা ২৭ মিনিট আকাশে অবস্থান করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হার্ট অ্যারোস্পেস নির্মিত এক্স১ বিমানটির ডানার দৈর্ঘ্য প্রায় ১০৬ ফুট এবং বিমানের দৈর্ঘ্য ৭৬ ফুট
- 📌 বিমানটির ওজন প্রায় ২৫ হাজার পাউন্ড, যা একটি খালি স্কুলবাসের সমান
- 📌 এক্স১ বিমানটি ৩০ আসন বিশিষ্ট এবং প্রথম পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে কোনো যাত্রী ছিল না
- 📌 হার্ট অ্যারোস্পেসের লক্ষ্য ২০৩১ সালের মধ্যে ইএস-৩০ নামে হাইব্রিড-ইলেকট্রিক বিমান বাণিজ্যিকভাবে উড্ডয়ন করা
- 📌 বৈদ্যুতিক বিমান ব্যবহারের ফলে বিমান চলাচল খাত থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ ২.৫ শতাংশ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে
- 📌 হার্ট অ্যারোস্পেস দাবি করেছে তাদের ভবিষ্যৎ বিমান পরিচালনার খরচ প্রচলিত বিমানের তুলনায় ৪০ শতাংশ কম হবে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক হার্ট অ্যারোস্পেস তাদের নির্মিত এক্স১ নামের ব্যাটারিচালিত বিমানের প্রথম সফল উড্ডয়নের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক বিমান প্রযুক্তির নতুন যুগের সূচনা করেছে। নিউইয়র্কের একটি আঞ্চলিক বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত এই পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে বিমানটি ব্যাটারির শক্তিতে মাটি থেকে ১ হাজার ১০০ ফুট উচ্চতায় উড়ে টানা ২৭ মিনিট আকাশে অবস্থান করে। প্রথম এই ফ্লাইটে কোনো যাত্রী ছিল না, শুধুমাত্র একজন পাইলট বিমানটি চালান।
এক্স১ বিমানটির ডানার দৈর্ঘ্য প্রায় ১০৬ ফুট এবং বিমানের দৈর্ঘ্য ৭৬ ফুট। বিমানটির ওজন প্রায় ২৫ হাজার পাউন্ড, যা একটি খালি স্কুলবাসের সমান। হার্ট অ্যারোস্পেসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যান্ডার্স ফোরসলান্ড জানিয়েছেন, এই সফল উড্ডয়নের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছেন যে বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমানের সমান বড় বৈদ্যুতিক বিমান উড়ানো সম্ভব।
হার্ট অ্যারোস্পেসের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩১ সালের মধ্যে ইএস-৩০ নামে একটি হাইব্রিড-ইলেকট্রিক বিমান বাণিজ্যিকভাবে আকাশে উড়ানো। ইউনাইটেড, এয়ার কানাডা এবং জেএসএক্সের মতো বড় এয়ারলাইনস কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যেই এই মডেলটির প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে। হার্ট অ্যারোস্পেস দাবি করেছে, তাদের ভবিষ্যৎ বিমান পরিচালনার খরচ প্রচলিত বিমানের তুলনায় ৪০ শতাংশ কম হবে।
বৈদ্যুতিক বিমান ব্যবহারের ফলে বিমান চলাচল খাত থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। বিশ্বজুড়ে উৎপাদিত মোট কার্বন ডাই-অক্সাইডের প্রায় ২.৫ শতাংশই আসে বিমানের জ্বালানি থেকে। বৈদ্যুতিক বিমানের মাধ্যমে এই নির্গমন কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
"এক্স১ ফ্লাইটের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ করেছি যে বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমানের সমান বড় বৈদ্যুতিক বিমান উড়ানো সত্যিই সম্ভব। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাটারি প্রযুক্তিতে যে অবিশ্বাস্য উন্নতি হচ্ছে, তাকে কাজে লাগিয়ে হার্ট অ্যারোস্পেসের মতো বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আকাশভ্রমণকে সম্পূর্ণ ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যান্ডার্স ফোরসলান্ড (হার্ট অ্যারোস্পেসের প্রধান নির্বাহী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৬ ফুট (ডানার দৈর্ঘ্য), ৭৬ ফুট (বিমানের দৈর্ঘ্য), ২৫ হাজার পাউন্ড (ওজন), ৩০ আসন, ২৭ মিনিট (উড্ডয়নকাল), ২.৫ শতাংশ (কার্বন নির্গমন হ্রাস)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!