📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হুথি আক্রমণ থেকে বেঁচে যাওয়ার জন্য এক সপ্তাহ ধরে রাস্তায় যাত্রা: ইয়েমেনের এক পরিবারের কাহিনী

হুথি আক্রমণ থেকে বেঁচে যাওয়ার জন্য এক সপ্তাহ ধরে রাস্তায় যাত্রা: ইয়েমেনের এক পরিবারের কাহিনী

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইয়েমেনের মুকাল্লা শহরে আশ্রয় নেওয়া ৫৮ বছর বয়সী সাদ্দের পরিবার হুথি আক্রমণের কারণে তাদের বাড়ি ত্যাগ করে। সৈন্যদের প্রত্যাহারের ভিডিও দেখে তারা বুঝতে পারে যে তাদের এলাকা হুথিদের হাতে পড়বে। এক সপ্তাহ ধরে রাস্তায় যাত্রা করে তারা নিরাপদ স্থানে পৌঁছেছে

ইয়েমেনের মুকাল্লা শহরে আশ্রয় নেওয়া ৫৮ বছর বয়সী সাদ্দে হাসান এবং তার পরিবার হুথি আক্রমণ থেকে বেঁচে যাওয়ার জন্য এক সপ্তাহ ধরে রাস্তায় যাত্রা করেছেন। সৈন্যদের প্রত্যাহারের ভিডিও দেখে তারা বুঝতে পারে যে তাদের এলাকা হুথিদের হাতে পড়বে এবং তাই তারা তৎক্ষণাৎ পালিয়ে যান। ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় হুদায়দাহ ও তাইজ গভর্নরেটে হুথি আক্রমণে সরকারি বাহিনী প্রত্যাহার শুরু করলে সাদ্দের পরিবার তাদের বাড়ি ত্যাগ করে মুকাল্লায় আশ্রয় নেয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাদ্দে হাসান (৫৮) এবং তার পরিবার হুথি আক্রমণ থেকে পালিয়ে মুকাল্লায় আশ্রয় নেয়, যেখানে তারা ২০১৮ সাল থেকে বসবাস করছিলেন।
  • 📌 সাদ্দের দুই পুত্র সৈন্যদের প্রত্যাহারের খবর দিলে তিনি বুঝতে পারেন যে এলাকাটি হুথিদের হাতে পড়বে।
  • 📌 সাদ্দে বলেন, “আমি তাদেরকে বলেছিলাম যে এটি একটি তাত্ত্বিক প্রত্যাহার এবং কোনো চিন্তার কারণ নেই। কিন্তু যখন আমার পুত্ররা ভিডিও দেখিয়ে দেখালেন, তখন আমি বুঝতে পারলাম যে সত্যি ঘটনা ঘটছে।”
  • 📌 সাদ্দের ভাই মোহাম্মদ বলেন, “আমি তাদেরকে বিশ্বাস করলাম যখন তারা বের হয়ে গিয়ে প্রত্যাহারের ভিডিও তুলে আমাকে দেখালেন।”
  • 📌 হুথি আক্রমণে সরকারি বাহিনী মুচা শহর ত্যাগ করে, যা ইয়েমেনের জাতীয় প্রতিরোধ বাহিনীর প্রধান ঘাঁটি ছিল।
  • 📌 সাদ্দের পরিবার এবং মোহাম্মদের পরিবার তাদের বাড়ি ত্যাগ করে রাত ৯:৩০টায় রাস্তায় নামলেন। রাস্তায় যাওয়ার সময় তারা দেখলেন যে তাদের বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তাদের সম্পত্তি চুরি হয়ে গেছে।
  • 📌 সাদ্দের পরিবার এবং মোহাম্মদের পরিবার এক সপ্তাহ ধরে রাস্তায় যাত্রা করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছেছে।

📰 বিস্তারিত

ইয়েমেনের মুকাল্লা শহরে আশ্রয় নেওয়া সাদ্দে হাসান এবং তার পরিবার হুথি আক্রমণ থেকে পালিয়ে যাওয়ার কাহিনী শোনানোর সময় বলেছেন, “আমার দুই পুত্র আমাকে জানাল যে সৈন্যদের প্রত্যাহার শুরু হয়েছে। আমি প্রথমে মনে করলাম এটি একটি তাত্ত্বিক পদক্ষেপ। কিন্তু যখন তারা ভিডিও দেখিয়ে দেখালেন যে সৈন্যরা তাদের অস্ত্র ছেড়ে চলে যাচ্ছে, তখন আমি বুঝতে পারলাম যে আমাদের এলাকা হুথিদের হাতে পড়বে।”

সাদ্দের ভাই মোহাম্মদ বলেন, “আমি তাদের বিশ্বাস করলাম যখন তারা বের হয়ে গিয়ে প্রত্যাহারের ভিডিও তুলে আমাকে দেখালেন। আমরা তখনই বুঝতে পারলাম যে আমাদের পালিয়ে যেতে হবে।” সাদ্দের পরিবার এবং মোহাম্মদের পরিবার তাদের বাড়ি ত্যাগ করে রাত ৯:৩০টায় রাস্তায় নামলেন। তারা তাদের বাড়ি থেকে শুধুমাত্র কিছু ব্যক্তিগত পোশাক, দলিলপত্র এবং কিছু হালকা সম্পত্তি নিয়ে নিলেন।

সাদ্দের পরিবার তাদের পিকআপ ট্রাকে কিছু সামান্য জিনিস নিয়ে রওনা দিলেন। মোহাম্মদ তার পরিবার এবং একাধিক আত্মীয়ের সাথে আরেকটি পিকআপে চড়ে যান। তারা রাস্তায় যাওয়ার সময় দেখলেন যে তাদের বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তাদের সম্পত্তি চুরি হয়ে গেছে। সাদ্দে বলেন, “আমি তাদেরকে বলেছিলাম, ‘আমরা যা বহন করতে পারি তা নিয়ে যাই, এবং আগামীকাল আমরা বাকি জিনিস নিয়ে আসবো’। কিন্তু হুথিদের আক্রমণের গতির কারণে আমাদের তৎক্ষণাৎ পালিয়ে যেতে হয়েছিল।”

হুথি আক্রমণে ইয়েমেনের লাল সাগরের তীরবর্তী মুচা শহর এবং আল-খোকা এলাকা তাদের হাতে পড়েছে। এই আক্রমণে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী তাদের প্রধান ঘাঁটি মুচা ত্যাগ করে। সাদ্দের পরিবার এবং মোহাম্মদের পরিবার এক সপ্তাহ ধরে রাস্তায় যাত্রা করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছেছে।

"আমি তাদেরকে বলেছিলাম যে এটি একটি তাত্ত্বিক প্রত্যাহার এবং কোনো চিন্তার কারণ নেই। কিন্তু যখন আমার পুত্ররা ভিডিও দেখিয়ে দেখালেন, তখন আমি বুঝতে পারলাম যে সত্যি ঘটনা ঘটছে।"
"আমি তাদের বিশ্বাস করলাম যখন তারা বের হয়ে গিয়ে প্রত্যাহারের ভিডিও তুলে আমাকে দেখালেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মুকাল্লা, ইয়েমেন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদ্দে হাসান (৫৮), মোহাম্মদ (৪৭), শাকের (মোহাম্মদের পুত্র)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৮ বছর (সাদ্দের বয়স), ৪৭ বছর (মোহাম্মদের বয়স), ৯:৩০ রাত (পালানোর সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖