📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষায় ইরানের পাশে চীন: স্বার্থের হিসাবেই বেইজিংয়ের অবস্থান

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষায় ইরানের পাশে চীন: স্বার্থের হিসাবেই বেইজিংয়ের অবস্থান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গত আগস্টের শেষে বিশকেকে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে ইরানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষায় চীন ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে মূলত নিজেদের স্বার্থ রক্ষায়। ইরানের তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই কিনে দেশটির অর্থনীতি সচল রাখতে ভূমিকা রাখছে বেইজিং

গত ৩১ আগস্ট কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার বার্ষিক সম্মেলনে চীন, রাশিয়া ও ভারতের নেতারা মিলিত হন। সেখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও উপস্থিত ছিলেন। ১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত সম্মেলনের চূড়ান্ত ঘোষণায় নতুন একটি উন্নয়ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভাষ্যমতে, এই ব্যাংকের ওপর এমন দেশগুলোর আর্থিক ব্যবস্থার প্রভাব সর্বনিম্ন থাকবে, যারা একতরফা সুবিধা আদায়ে অর্থনৈতিক হাতিয়ারকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশকেক সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান উপস্থিত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা তাকে একঘরে করতে পারেনি
  • 📌 ইরানের তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ কিনে দেশটির অর্থনীতি সচল রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে চীন
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এড়াতে চীন ‘ডার্ক ফ্লিট’ নামে পরিচিত গোপন জাহাজ ও ব্যক্তিমালিকানাধীন ‘টিপট’ তেল শোধনাগার ব্যবহার করছে
  • 📌 ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা চীনা ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলো রেনমিনবিতে লেনদেন নিষ্পত্তি করে, ফলে যুক্তরাষ্ট্রের আইন তাদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারছে না
  • 📌 ইরানের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের সম্পর্কের ওপরও নির্ভরশীল; দুই দেশের মধ্যে চলতি মাসের শেষ দিকে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে

📰 বিস্তারিত

গত ৩১ আগস্ট কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার বার্ষিক সম্মেলনে চীন, রাশিয়া ও ভারতের নেতারা মিলিত হন। সেখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের ১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চূড়ান্ত ঘোষণায় নতুন একটি উন্নয়ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভাষ্যমতে, এই ব্যাংকের মাধ্যমে এমন দেশগুলোর আর্থিক ব্যবস্থার প্রভাব সর্বনিম্ন রাখা হবে, যারা একতরফা সুবিধা আদায়ে অর্থনৈতিক হাতিয়ারকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে।

যুক্তরাষ্ট্র গত আগস্টেই ইরানের বিরুদ্ধে সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। কিন্তু বিশকেক সম্মেলনে ইরানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এতে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিকভাবে কার্যকর করা ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে চীন এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চীন ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করছে মূলত নিজেদের স্বার্থেই। ইরানের তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই কিনে দেশটির অর্থনীতি সচল রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এড়াতে চীন ‘ডার্ক ফ্লিট’ নামে পরিচিত এমন জাহাজ ব্যবহার করছে, যেগুলো তেলের উৎস গোপন রাখে। এ ছাড়া ছোট ব্যক্তিমালিকানাধীন ‘টিপট’ তেল শোধনাগারও ব্যবহার করা হচ্ছে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য হলো, নিজেদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় তারা প্রয়োজনীয় সবকিছু করবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একাধিক বাণিজ্যযুদ্ধের অভিজ্ঞতা থাকায় মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ সহ্য করার ক্ষমতা চীনের রয়েছে। অন্য কোনো দেশের চাপের কাছে নতি স্বীকার করতেও বেইজিং অনাগ্রহী। চীনের দৃষ্টিতে তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে চীন ও ইরানের বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।

"যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল করাকে বেইজিং অগ্রাধিকার দিচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে চলতি মাসের শেষ দিকে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।"

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা অনেক চীনা ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান শুধু ইরানের সঙ্গেই লেনদেন করে। তারা রেনমিনবিতে লেনদেন নিষ্পত্তি করে বা পণ্য বিনিময় করে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তের বাইরের আইন প্রয়োগের ক্ষমতা তাদের ওপর খুব কমই প্রভাব ফেলে। যারা ডলারে লেনদেন করে, তাদের অনেককে কাগুজে কোম্পানির আড়ালে রাখা হয়। একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে দ্রুত আরেকটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা যায়। ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে যেন শেষ না হওয়া এক খেলায় নামতে হয়।

তবে চীন ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক বা রাজনৈতিক জোট চায় না। ইরানের পূর্ণ বিজয় মধ্যপ্রাচ্যে তার আধিপত্য বাড়াতে পারে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে চীনের সম্পর্ক খারাপ করবে। তাই বেইজিং তেহরানের সঙ্গে হিসাব করে দূরত্ব বজায় রাখছে। পেজেশকিয়ান এখনো বেইজিং সফরের আমন্ত্রণ পাননি। বিশকেকেও চীনা নেতা রুশ ও ভারতীয় নেতার সঙ্গে বৈঠক করলেও পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেননি; পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশকেক, কিরগিজস্তান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ পেজেশকিয়ান, ভ্লাদিমির পুতিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ শতাংশ, ৪০ শতাংশ, ১০ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖