📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টিআইবির অভিযোগ: মানবাধিকার কমিশন আইনে স্বাধীনতার ঘাটতি রয়ে গেছে

টিআইবির অভিযোগ: মানবাধিকার কমিশন আইনে স্বাধীনতার ঘাটতি রয়ে গেছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টিআইবি জানিয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ও গুম প্রতিরোধ আইনের খসড়ায় স্বাধীন তদন্তের সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। কমিশনের ওপর নির্বাহী বিভাগের প্রভাবের ঝুঁকি রয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬-এ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। সংস্থাটির মতে, কমিশনের ক্ষমতা সীমিত থাকায় শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত কার্যত অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের হাতেই রয়ে যাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিলে স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও নির্বাহী প্রভাবের ঝুঁকি রয়েছে বলে দাবি টিআইবির
  • 📌 কমিশনের মোট জনবলের ৩০ শতাংশ সরকারি কর্মচারী প্রেষণে নিয়োগের বিধান রয়েছে
  • 📌 গুম প্রতিরোধ আইনে অভিযুক্ত বাহিনীকে নিজ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত থেকে বিরত রাখার প্রস্তাব থাকলেও আন্তবাহিনী তদন্ত দল গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে
  • 📌 টিআইবি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে ২৫ দফা এবং গুম প্রতিরোধ বিল নিয়ে ১৭ দফা সুপারিশ করেছে
  • 📌 ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে ন্যায়বিচার ব্যাহত হবে

📰 বিস্তারিত

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সরকারের কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অধীন না হওয়ার বিধান না থাকায় নির্বাহী বিভাগের প্রভাবের ঝুঁকি রয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের কমিশনার হওয়ার সুযোগ এবং বাছাই কমিটিতে স্পিকার, মন্ত্রী ও সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির কারণে কমিশনের স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কমিশনের মোট জনবলের ৩০ শতাংশ সরকারি কর্মচারী প্রেষণে নিয়োগের বিধান এবং ব্যয় ও বরাদ্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক স্বাধীনতার অভাব রয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিলের ধারা ১৯ অনুযায়ী, শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে কমিশন নিজে অনুসন্ধান না করে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কাছেই প্রতিবেদন চাইবে এমন ব্যবস্থা বহাল রাখা হয়েছে।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল সম্পর্কে টিআইবি জানায়, অভিযুক্ত বাহিনীকে নিজ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত থেকে বিরত রাখার প্রস্তাব থাকলেও আন্তবাহিনী তদন্ত দল গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে। অতীতে গুমের ঘটনায় বিভিন্ন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকায় এমন তদন্তের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

"স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাবে তদন্ত দুর্বল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হলে শুধু ন্যায়বিচার ব্যাহত হবে না, ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবার ক্ষতিপূরণ, গুমের শিকার হিসেবে স্বীকৃতি এবং সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত অধিকার থেকেও বঞ্চিত হতে পারেন।"

টিআইবি গুমের সংজ্ঞা আরও পূর্ণাঙ্গ করার দাবি জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মচারী, শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ছাড়াও জনপ্রতিনিধি, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও রাষ্ট্রের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সংজ্ঞার আওতায় আনার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। গুমের শিকার ব্যক্তিকে খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত অনুসন্ধান অব্যাহত রাখা এবং পরিবারকে নিয়মিত অগ্রগতি জানানোর বিধান রাখার দাবিও জানিয়েছে তারা।

টিআইবি জানিয়েছে, তারা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে ২৫ দফা এবং গুম প্রতিরোধ বিল নিয়ে ১৭ দফা সুপারিশ করেছে। সাংসদীয় কমিটির পর্যালোচনাকে বিল দুটির মৌলিক দুর্বলতা সংশোধনের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ উল্লেখ করে সংস্থাটি বলেছে, বিল দুটি তড়িঘড়ি কণ্ঠভোটে পাস না করে প্রতিটি ধারা নিয়ে সংসদে অর্থবহ আলোচনা করা উচিত।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. ইফতেখারুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ শতাংশ, ১৯ ধারা, ২৫ দফা, ১৭ দফা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖