📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টান পরিবারের উপর ধর্মান্তর ও যৌন হয়রানির হামলা: আতঙ্কের জীবন

পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টান পরিবারের উপর ধর্মান্তর ও যৌন হয়রানির হামলা: আতঙ্কের জীবন

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় এক খ্রিস্টান পরিবারের উপর বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য বলে পরিচিত ব্যক্তিদের হামলা। ধর্মান্তর ও যৌন হয়রানির চাপে পরিবার আতঙ্কিত, পুলিশ মামলা শুরু করেনি। গবেষণা অনুযায়ী, মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে

পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় এক খ্রিস্টান পরিবারের উপর বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য বলে পরিচিত ব্যক্তিদের হামলায় আতঙ্কিত হয়ে পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। ধর্মান্তর ও যৌন হয়রানির চাপে পরিবারের সদস্যরা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করলেও মামলা শুরু হয়নি। গবেষণা সংস্থা 'ইন্ডিয়া হেট ল্যাব' জানিয়েছে, মে মাসের ১৩ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বর মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত রাজ্যের ১৩টি জেলায় খ্রিস্টানদের ওপর মোট ৬০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাঁশকুড়ায় ৩০ জনেরও বেশি ব্যক্তি মদ্যপ অবস্থায় এক খ্রিস্টান পরিবারের উপর হামলা চালায় এবং ধর্মান্তর ও সরকারি পরিষেবা থেকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেয়
  • 📌 অভিযোগকারী পার্বতী হেমব্রম সোরেন বলেন, হামলাকারীরা তার চুল ধরে মারধর করে, স্বামীকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি দেয় এবং পরিবারের ফোন ছিনিয়ে নেয়
  • 📌 হামলাকারীরা খ্রিস্টধর্মকে 'আমেরিকান ধর্ম' বলে উল্লেখ করে পরিবারকে হিন্দুধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করার চেষ্টা করে
  • 📌 পুলিশ মামলা শুরু করেনি, পরিবার আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে এবং ধর্মান্তর ও যৌন হয়রানির হুমকিতে আতঙ্কিত
  • 📌 গবেষণা অনুযায়ী, মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ৬০টি খ্রিস্টানদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে

📰 বিস্তারিত

পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় এক খ্রিস্টান পরিবারের উপর বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য বলে পরিচিত ব্যক্তিদের হামলায় আতঙ্কিত হয়ে পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। পার্বতী হেমব্রম সোরেন বিবিসি বাংলাকে জানান, সোমবার রাতে পরিবারের সকলে মিলে সোমবার রাতে প্রার্থনা করতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ৩০ জনেরও বেশি ব্যক্তি মদ্যপ অবস্থায় তাদের বাড়িতে জোর করে ঢুকে পড়ে এবং মারধর করে। তিনি বলেন, "চুলের মুঠি ধরে মেরেছে আমাকে। বলেছে আমাদের বাড়িতে থাকতে দেবে না। আমার স্বামীকে অকত্থ্য ভাষায় গালাগাল করছিল। আমাদের সঙ্গে আমাদের আত্মীয়রাও ছিলেন, আমার ননদের গায়েও হাত তুলেছিল তারা। আমাদের ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল।"

গত ১১ই অক্টোবর একই ব্যক্তিরা তাদের বাড়িতে এসে খ্রিষ্টধর্ম পালন করার কারণে হুমকি দিয়েছিল। পার্বতী বলেন, "গতকাল রাতে ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে তারা মদ্যপান করে চোরের মতো আমাদের বাড়ি আসেন। আমার মোবাইলে ভিডিও করেছিলাম, সেটাও তারা আমার ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ডিলিট করে দিয়েছেন। অবশেষে পুলিশের থেকে আমি আমার ফোন ফেরত পেয়েছি। তারা আমাদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে, যাতে আমরা খ্রিস্টধর্ম ছেড়ে হিন্দু ধর্মে ফিরে আসি। আমরা ওদের বলেছি, আমরা নিজে থেকে খ্রিস্টান ধর্ম বেছে নিয়েছি, আমরা পালন করছি। তাই আমাদের মারধর করা হচ্ছে।"

হামলাকারীরা খ্রিস্টধর্মকে 'আমেরিকান ধর্ম' বলে উল্লেখ করে পরিবারকে হিন্দুধর্ম গ্রহণ করতে বলছিল। পার্বতী আরও জানান, "তারা আমাদের উঠোনে তুলসি মঞ্চ এবং মনসা মন্দির তৈরি করতে বাধ্য করছিল। আমরা তাদের বলেছিলাম, আমরা খ্রিস্টান, আমরা তা করব না। এখন তারা লোকজনকে আমাদের কাজ দিতে বারণ করছে। তারা আমাদের বিদ্যুৎ ও জলের সংযোগ কেটে দেওয়ার, রেশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার হুমকি দিয়েছে।"

বঙ্গীয় খ্রিষ্টিয় পরিষেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা হেরোদ মল্লিকের দাবি, হামলাকারীরা সংস্থার আইনজীবীর ফোন কেড়ে নেয় এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য বলে পরিচয় দিয়ে হুমকি দেয়। পার্বতী বলেন, "তারা আবার ফিরে এসে আমাদের উপর হামলা করার হুমকি দিয়েছে। বলেছে, এ বার ৫০ থেকে ১০০ জনকে নিয়ে আসবে। আমরা অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ এখনও কোনও মামলা শুরু করেনি।"

"তারা আমাদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে, যাতে আমরা খ্রিস্টধর্ম ছেড়ে হিন্দু ধর্মে ফিরে আসি। আমরা ওদের বলেছি, আমরা নিজে থেকে খ্রিস্টান ধর্ম বেছে নিয়েছি, আমরা পালন করছি। তাই আমাদের মারধর করা হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাঁশকুড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পার্বতী হেমব্রম সোরেন, হেরোদ মল্লিক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জনেরও বেশি হামলাকারী, ৬০টি হামলা (মে-সেপ্টেম্বর), ৫০ থেকে ১০০ জনের হুমকি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖