📌 যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ভিসা আবারও প্রত্যাখ্যান করেছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউইয়র্ক যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল হয়ে গেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও পিএলও সংস্কার প্রক্রিয়ায় ব্যর্থতার কারণে ভিসা নিষেধাজ্ঞা বর্ধিত করেছে
যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ভিসা আবারও প্রত্যাখ্যান করেছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউইয়র্ক যাওয়ার পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) ও ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) সংস্কার প্রক্রিয়ায় ব্যর্থতার কারণে তাদের ওপর আরো কড়া ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান করেছে। এবারও তিনি জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশগ্রহণ করতে নিউইয়র্ক যেতে পারবেন না।
- 📌 মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও পিএলও সংস্কার প্রক্রিয়ায় ব্যর্থতার কারণে তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা বর্ধিত করেছে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা শান্তি প্রক্রিয়ায় ব্যর্থতা দেখিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে।
- 📌 ২০০২ সালের ‘মিডল ইস্ট পিস কমিটমেন্টস’ আইনের আওতায় ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
- 📌 জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি পর্যবেক্ষক মিশনে কর্মরত কর্মকর্তাদের জন্য আগের মতো ভিসা ছাড় সুবিধা বহাল থাকবে।
📰 বিস্তারিত
মাহমুদ আব্বাসের নিউইয়র্ক যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এবারও যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। গত বছরও আব্বাসকে ভিসা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। সেই সময় তিনি ভিডিও বক্তব্য দিয়ে অধিবেশনে অংশ নেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও পিএলও সংস্কার প্রক্রিয়ায় ব্যর্থতা দেখিয়েছে। তারা শান্তি প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং মার্কিন প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা আলোচনার বাইরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাওয়ার চেষ্টা করেছে এবং বন্দীদের পরিবারকে অর্থ প্রদান অব্যাহত রেখেছে। এছাড়াও তারা ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে গৌরবান্বিত’ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
২০০২ সালের ‘মিডল ইস্ট পিস কমিটমেন্টস’ আইনের আওতায় ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে, জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি পর্যবেক্ষক মিশনে কর্মরত কর্মকর্তাদের জন্য আগের মতো ভিসা ছাড় সুবিধা বহাল থাকবে।
"পিএ আর পিএলও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে। আলোচনার বাইরেও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাওয়ার চেষ্টা করেছে। ফিলিস্তিনি বন্দী ও তাঁদের পরিবারের জন্য অর্থ দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। এ ছাড়া তারা ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে গৌরবান্বিত’ করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ অধিবেশন), ওয়াশিংটন (মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদ আব্বাস (ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট), মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০২ (মিডল ইস্ট পিস কমিটমেন্টস আইন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!