📌 যুক্তরাষ্ট্র সরকার এইচ-১বি ও এফ-১ ভিসার ফি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে। ভারতীয় অভিবাসীদের ওপর এর প্রভাব পড়বে সবচেয়ে বেশি, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসাধারীদের ৭১ শতাংশই ভারতীয়। এছাড়া বিদ্যমান গ্রেস পিরিয়ডও বাতিলের প্রস্তাব রয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র সরকার এইচ-১বি কর্মী ভিসা ও এফ-১ শিক্ষার্থী ভিসার ফি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ৩ হাজার ২৬৫ ডলার করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে এফ-১ ভিসাধারী শিক্ষার্থীদের অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং (ওপিটি) কর্মসূচির জন্যও নতুন ফি আরোপের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ৩ হাজার ২৬৫ ডলার করার প্রস্তাব করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন
- 📌 এফ-১ ভিসাধারী শিক্ষার্থীদের ওপিটি কর্মসূচির জন্য নতুন ফি আরোপের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসাধারীদের ৭১ শতাংশই ভারতীয়, যা মোট অনুমোদিত আবেদনের ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৪০২টির মধ্যে
- 📌 এইচ-১বি কর্মীদের বিদ্যমান ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের প্রস্তাব করেছে ডিএইচএস
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৫২ লাখ
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, এইচ-১বি ভিসার ফি বর্তমানের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩ হাজার ২৬৫ ডলার করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। অভিবাসনবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ফ্র্যাগোমেন জানিয়েছে, প্রস্তাবিত নিয়ম কার্যকর হলে বিদেশিদের কাজ করার খরচ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে এফ-১ ভিসাধারী শিক্ষার্থীদের জন্য ওপিটি কর্মসূচির অধীনে নতুন ফি আরোপের বিষয়েও আলোচনা চলছে। ফ্র্যাগোমেনের এক নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ওপিটি আবেদনের জন্য ১ লাখ ডলারের ফি প্রস্তাব করতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)।
যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসার সুবিধাভোগীদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সর্বাধিক। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) মোট ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৪০২টি এইচ-১বি আবেদন অনুমোদন করেছিল, যার মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তির হার ছিল ৭১ শতাংশ। ফলে নতুন ফি প্রস্তাবের ফলে ভারতীয় অভিবাসীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়া ডিএইচএস এইচ-১বি কর্মীদের জন্য বিদ্যমান ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলেরও প্রস্তাব করেছে। বর্তমানে এইচ-১বি কর্মীদের চাকরি শেষ হয়ে গেলে নতুন চাকরি খোঁজার জন্য সর্বোচ্চ ৬০ দিন সময় দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত নিয়ম চূড়ান্ত হলে এ সুযোগ থাকবে না, ফলে কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নির্ভরশীলদেরও প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে হতে পারে।
"যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশিদের কাজ করার খরচ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। ভারতীয় অভিবাসীদের ওপর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসাধারীদের ৭১ শতাংশই ভারতীয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ৩ হাজার ২৬৫ ডলার (এইচ-১বি ভিসা ফি), ৭১ শতাংশ (ভারতীয় অভিবাসী), ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৪০২টি (অনুমোদিত আবেদন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!