📅 ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরিয়ার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতির বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, রাষ্ট্রপক্ষের মৃত্যুদণ্ড দাবি প্রত্যাখ্যান

সিরিয়ার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতির বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, রাষ্ট্রপক্ষের মৃত্যুদণ্ড দাবি প্রত্যাখ্যান

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরিয়ার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি আহমাদ বদর আল-দিন হাসুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সহিংসতায় উসকানি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তাঁর বিচার সম্পন্ন হয়। রাষ্ট্রপক্ষ মৃত্যুদণ্ড দাবি করলেও আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন

সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ও সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি আহমাদ বদর আল-দিন হাসুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সহিংসতায় উসকানি, হত্যাকাণ্ডকে ন্যায্যতা দেওয়া এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর অস্থাবর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরিয়ার সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি আহমাদ বদর আল-দিন হাসুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
  • 📌 সহিংসতায় উসকানি, হত্যাকাণ্ডকে ন্যায্যতা দেওয়া এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তাঁর বিচার সম্পন্ন হয়
  • 📌 রাষ্ট্রপক্ষ মৃত্যুদণ্ড দাবি করলেও আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন
  • 📌 তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রকাশ্যে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে
  • 📌 ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির নামও অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে

📰 বিস্তারিত

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা গত সোমবার (২৪ আগস্ট) জানায়, সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের ধর্মীয় নেতা আহমাদ বদর আল-দিন হাসুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি, হত্যাকাণ্ডকে ন্যায্যতা দেওয়া এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়। আদালত তাঁর অস্থাবর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেন।

হাসুনের বিরুদ্ধে গত জুন মাসে দামেস্কের চতুর্থ ফৌজদারি আদালতে বিচার শুরু হয়। অভিযোগে বলা হয়, তিনি সাবেক সরকারের কর্মকর্তাদের সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের দমনে উৎসাহিত করেছিলেন। এছাড়া সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে রাশিয়া ও ইরানের সামরিক হস্তক্ষেপের পক্ষেও তিনি অবস্থান নেন। তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রকাশ্যে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এদের মধ্যে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির নামও উল্লেখ রয়েছে।

সত্তরোর্ধ্ব হাসুন জুলাই মাসে তিনবার আদালতে হাজির হন। চলতি মাসে পঞ্চম শুনানিতে তাঁর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে উপস্থাপিত ভিডিও প্রমাণ যাচাই করা হয় এবং সাক্ষীদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। একজন সাক্ষী আদালতকে জানান, তাঁর বোনকে আটক করার পর তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে বারবার চাঁদাবাজির শিকার হতে হয়। হাসুনের হস্তক্ষেপের বিনিময়ে তাঁরা টাকা ও বিভিন্ন পণ্য দিতে বাধ্য হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

"রাষ্ট্রপক্ষ মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছিল। তবে আদালত শেষ পর্যন্ত তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরিয়া, দামেস্ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আহমাদ বদর আল-দিন হাসুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖