📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহাকাশ থেকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন স্পেস ফোর্সের ইলেকট্রনিক যুদ্ধ: কীভাবে গার্ডিয়ানরা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিলেন

মহাকাশ থেকে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন স্পেস ফোর্সের ইলেকট্রনিক যুদ্ধ: কীভাবে গার্ডিয়ানরা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিলেন

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্সের জেনারেল ডগলাস শিয়েস 'অপারেশন এপিক ফিউরি' অভিযানে ইরানের বিরুদ্ধে ইলেকট্রনিক যুদ্ধে গার্ডিয়ানদের ভূমিকা তুলে ধরেছেন। মহাকাশ থেকে সরাসরি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক আক্রমণ পরিচালনা করে মার্কিন বাহিনী শত্রুর যোগাযোগ ব্যবস্থা অকার্যকর করার চেষ্টা করেছিল

যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্সের জেনারেল ডগলাস শিয়েস ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত 'অপারেশন এপিক ফিউরি' অভিযানে মহাকাশ থেকে ইলেকট্রনিক যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেছেন। এই অভিযানে স্পেস ফোর্সের সদস্যরা সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে অংশ নেয়ার মাধ্যমে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক যুদ্ধের নতুন দিকগুলি প্রকাশ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জেনারেল ডগলাস শিয়েস বলেছেন, স্পেস ফোর্সের সদস্যরা 'গার্ডিয়ান' হিসেবে শুধু সহায়তা নয়, সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন মহাকাশ থেকে
  • 📌 মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন ৪২তম ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়ারফেয়ার কমব্যাট ডিটাচমেন্টের সদস্য গ্রে 'অ্যালার্ম রেড' সাইরেন বাজার পরেও অবস্থান ধরে রেখে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক যুদ্ধ চালিয়ে যান
  • 📌 ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে মার্কিন বাহিনীর স্যাটেলাইট যোগাযোগ, জিপিএস এবং ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল
  • 📌 ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন ও মিত্রবাহিনীর শত শত হতাহতের ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে বিমান ও রাডারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্সের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে জেনারেল ডগলাস শিয়েস 'অপারেশন এপিক ফিউরি' অভিযানের ইলেকট্রনিক যুদ্ধের সাফল্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই অভিযানে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড ও স্পেস কমান্ডের সদস্যরা ইউরোপীয় ও প্যাসিফিক কমান্ডের সহায়তায় মহাকাশ থেকে সরাসরি যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন। শিয়েস বিশেষভাবে ৪২তম ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়ারফেয়ার কমব্যাট ডিটাচমেন্টের সদস্য গ্রের কথা উল্লেখ করেন, যিনি মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন ছিলেন।

গ্রে অভিযানের শুরুতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে নির্দেশনা পান এবং তার দায়িত্ব ছিল 'নন-কাইনেটিক ফায়ার' পরিচালনা করা। অর্থাৎ শত্রুর যোগাযোগ ও ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা অকার্যকর করার মতো অপ্রচলিত আক্রমণ পরিচালনা করা। শিয়েসের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রে লক্ষ্যবস্তুতে নজর স্থির করে অস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত করেন এবং 'দৃঢ়প্রতিজ্ঞ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক যুদ্ধ' চালান। তখন তার অবস্থানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হচ্ছিল এবং 'অ্যালার্ম রেড' সাইরেন বাজছিল।

শিয়েস জানান, এই অভিযানে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক যুদ্ধের পাশাপাশি স্যাটেলাইট যোগাযোগও ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যোগাযোগ ব্যবস্থা, জিপিএস এবং অবস্থান, নেভিগেশন ও সময় নির্ধারণ ব্যবস্থা সচল রাখা জরুরি ছিল। একইভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের সতর্কতা ও গতিপথ শনাক্ত করাও ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইউক্রেন থেকে ইরান পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় সতর্কবার্তা দেয়া সদস্যরা বহু মানুষের জীবন রক্ষা করেছেন বলে জানান তিনি।

"গার্ডিয়ানরা শুধু পাশে থেকে সহায়তা করার জন্য নেই। প্রয়োজনের সময় তারা সরাসরি যুদ্ধে মহাকাশ শক্তি কাজে লাগাচ্ছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মধ্যপ্রাচ্য (ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান), যুক্তরাষ্ট্র (স্পেস ফোর্স সদর দপ্তর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেনারেল ডগলাস শিয়েস, স্পেশালিস্ট গ্রে
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২তম ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়ারফেয়ার কমব্যাট ডিটাচমেন্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖