📌 সুদানের পশ্চিম কর্দোফান রাজ্যে স্বর্ণখনি ধসে অন্তত ৮২ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় উদ্ধারকাজে নিরাপত্তা সরঞ্জামের অভাবের কারণে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানা গেছে।
সুদানের পশ্চিম কর্দোফান রাজ্যের আল-নুহুদ শহরের কাছে অবস্থিত আল-জারা স্বর্ণখনিতে মঙ্গলবার দুর্ঘটনাকরভাবে সুড়ঙ্গ ধসে অন্তত ৮২ জন শ্রমিক নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছেন। এএফপির তথ্য দিয়ে আল জাজিরা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই দুর্ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮২ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছে সুদানের স্বর্ণখনি দুর্ঘটনায়
- 📌 ধ্বংসস্তূপের নিচে ঠিক কতজন আটকা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি
- 📌 ক্ষুদ্র খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের অধিকাংশই নিহত হয়েছে
- 📌 উদ্ধারকাজে স্থানীয় বাসিন্দারা সাধারণ সরঞ্জাম ব্যবহার করছেন
- 📌 নিরাপত্তা সরঞ্জামের অভাব মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে বলে জানা গেছে
📰 বিস্তারিত
আল-জারা খনিতে একাধিক সংযুক্ত সুড়ঙ্গ ধসে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কর্দোফান অবজারভেটরি জানিয়েছে, নিহতদের বেশিরভাগই ক্ষুদ্র পরিসরে স্বর্ণ খনিতে কাজ করা শ্রমিক। ধসের পর বেশ কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন। বিশেষায়িত উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে বালুময় মাটি সরিয়ে জীবিতদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।
আরএসএফের সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনায় অন্তত ৮২ জন নিহত ও আরও ৫০ জন আহত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে ঠিক কতজন আটকা রয়েছেন, তা এখনও জানা যায়নি। উদ্ধারকাজে সহায়তা করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা ভারী যন্ত্রপাতির দাবি জানিয়েছেন।
সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ চলছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সংগঠনটি জানিয়েছে, খনিটিতে শ্রমিকদের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক নিরাপত্তাব্যবস্থাও ছিল না। আফ্রিকার শীর্ষ স্বর্ণ উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে সুদান অন্যতম। দেশটির স্বর্ণের বড় অংশই পুরোনো বা অননুমোদিত খনিতে ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতিতে উত্তোলন করা হয়।
"সহকর্মীদের সঙ্গে রাতভর নিজেদের সরঞ্জাম ব্যবহার করে জীবিতদের উদ্ধারের চেষ্টা করেছি। তবে ভারী যন্ত্রপাতি প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন খনি শ্রমিক খায়ের আল-সাইয়েদ জাবারা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আল-নুহুদ শহর, পশ্চিম কর্দোফান রাজ্য, সুদান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খায়ের আল-সাইয়েদ জাবারা (খনি শ্রমিক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২ জন নিহত, ৫০ জন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!