📌 যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সেনেটর হওয়ার দৌড়ে আবদুল এল সাইদ। অভিবাসী পরিবারের সন্তান হিসেবে রাজনৈতিক উত্থান, ইসরায়েল বিরোধী অবস্থান ও ট্রাম্প বিরোধী প্রচারণা তাকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়নপ্রাপ্ত আবদুল এল সাইদ আগামী নভেম্বরের মিডটার্ম নির্বাচনে সেনেটর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তার অভিবাসী পরিবারের গল্প, রাজনৈতিক অবস্থান ও ট্রাম্প বিরোধী প্রচারণা তাকে মার্কিন রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সেনেটর হওয়ার দৌড়ে আবদুল এল সাইদ
- 📌 মিশরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান হিসেবে নিজের পরিচয় তুলে ধরেন এল সাইদ
- 📌 নির্বাচনী প্রচারণার মূল এজেন্ডা ছিল রাজনীতি থেকে অর্থ সরিয়ে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা
- 📌 ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নের বিরোধিতা করে জনপ্রিয়তা অর্জন
- 📌 ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের সমর্থন না পেলেও বামপন্থী নেতাদের সমর্থন লাভ
📰 বিস্তারিত
মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিজয় ভাষণে আবদুল এল সাইদ নিজের পরিবারের অতীতের গল্প তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "আমার কাজিনদের মতো আমারও মিশরে ট্যাক্সি ক্যাব ড্রাইভার হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ইতিহাসের দুর্ঘটনায় আমার বাবা যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েটে অভিবাসী হয়ে আসেন আর আমি আমেরিকান হিসেবে পরিচিতি পাই।"
তার নির্বাচনী প্রচারণার মূল বক্তব্য ছিল রাজনীতি থেকে অর্থ সরিয়ে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, "মানি আউট অব পলিটিক্স, মানি ইন ইওর পকেট, হেলথকেয়ার ফর অল।" এছাড়া তিনি ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নের বিরোধিতা করেন এবং একে 'আমাদের ট্যাক্স ডলারের নিকৃষ্টতম ব্যবহার' বলে অভিহিত করেন।
ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের সমর্থন না পেলেও তিনি বার্নি স্যান্ডার্স ও আলেক্সান্দ্রা ওসারিও-কর্টেজের মতো বামপন্থী নেতাদের সমর্থন লাভ করেন। আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন রিপাবলিকান পার্টির মাইক রজার্স, যিনি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। নির্বাচনে জয়ী হলে এল সাইদ হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সেনেটর।
"এই ব্যক্তি (এল সাইদ) ইহুদিদের ভালোবাসে না, সে ইসরায়েলকে ভালোবাসে না, সে তাদের ঘৃণা করে"
এল সাইদের রাজনীতিতে উত্থান শুরু হয় ২০১৮ সালে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচনের সময়। সেসময় তিনি মোট ভোটের ৩০ শতাংশ পেয়েছিলেন। তার নির্বাচনী এজেন্ডা ছিল স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং রাজনীতি থেকে পুঁজিবাদী প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থায়ন বাদ দেয়া।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল এল সাইদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!